বহুল আলোচিত মিতু হত্যার তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলায় দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড মিয়ার হাট সংলগ্ন মিতুর গ্রামের কবিরাজবাড়ির সামনে এলাকাবাসী এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে।
মিতু হত্যার বিচার চাই, খুনি সোহাগের ফাঁসি চাই—এলাকার নারী-পুরুষের এমন স্লোগান ও ফেস্টুন প্রদর্শন করে মিতু হত্যার বিচার দাবি করা হয়। মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী দাবি করেন, ৪ জুন সুমাইয়া আক্তার মিতুকে স্বামী সোহাগ ও তার পরিবারের লোকজন মিলে হত্যা করেছে।
পরিবারের লোকজন এ হত্যাকে আত্মহত্যার প্রচার-প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বলেন, গত এক সপ্তাহে পুলিশ হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
নিহত মিতুর বাবা বশির ও মা বিবি আয়েশা আমার দেশকে বলেন, পাঁচ বছর আগে সোহাগের সঙ্গে মিতুর বিবাহ হয়। সোহাগ ভোলায় থাই গ্লাসের ব্যবসা করেন। উকিলপাড়া গোরস্থান মাদরাসার সামনে ছয়তলা ভবনের পাঁচতলায় মিতুকে নিয়ে থাকতেন। বিয়ের পর থেকে তিনি মোটরসাইকেল ও মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।
এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও কলহের সৃষ্টি হয়। মেয়ের ভবিষ্যতের সুখ-শান্তির চিন্তা করে একটি মোটরসাইকেল, ৫ লাখ টাকা, বাসার ফার্নিচার ও আসবাবপত্র দেওয়া হয়। এর পরেও দাবি করা টাকা না পেয়ে তারা মিতুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।
ভোলা পুলিশ সুপার, শহিদুল্লাহ কাওছার আমার দেশকে বলেন, আসামিরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে আমরা তদন্ত করছি।
এমএইচ