এলাকায় আতঙ্ক
চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী–চান্দগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণা সভার অদূরে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কেউ হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কোনো ককটেলের আলামত পায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে বোয়ালখালীর পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সেই সময় বিএনপির এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগ ও পথসভা চলছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভা চলাকালে হঠাৎ সভাস্থল থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে পরপর দুটি প্রচণ্ড শব্দ শোনা যায়। শব্দটি এতটাই জোরালো ছিল যে মুহূর্তেই জনসভায় থাকা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ছুটোছুটি শুরু করেন।
বিস্ফোরণের পর কিছুক্ষণ বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন বিএনপি নেতারা। পরে সংক্ষিপ্ত আকারে সভা শেষ করা হয়। এরপর উপজেলা সদরে গিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন।
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, আল্লাহর রহমতে কেউ হতাহত হয়নি। যারা এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম শওকত অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী সভা লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। নির্বাচনকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। আমার ধারণা—এটা জামায়াত–শিবিরের কাজ। আগামীকাল থেকে যেখানেই জামায়াত–শিবির পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেখানে ককটেলের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন, বক্তব্য দেয়ার সময় হঠাৎ দুটি বিস্ফোরণের শব্দ পাই। ঘটনাটি প্রায় ৫০ গজ দূরে ঘটে। এটি স্পষ্টতই নির্বাচনী পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা।