হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

টেকনাফে মিয়ানমার পাচারকালে ৯০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ১৩

কোস্টগার্ডের অভিযানে

উপজেলা প্রতিনিধি, (টেকনাফ) কক্সবাজার

ছবি: আমার দেশ

টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন গভীর সাগরে অভিযান চালিয়ে সিমেন্টবোঝাই ট্রলারসহ ১৩ চোরাকারবারিকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।

আটক চোরাকারবারিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিয়ানমারে পণ্য পাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আজিম উল্লাহকে (৪০) আটক করতে সক্ষম হয়েছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় টেকনাফর বিসিজি স্টেশনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযানের বিস্তারিত জানান, কোস্টগার্ড টেকনাফ শাখায় দায়িত্বরত লে. কমান্ডার আরাফাত হোসেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে কোস্টগার্ড জানতে পারে, দেশি পণ্য পাচারকারী চক্রের সদস্যরা সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রলার মিয়ানমারের দিকে যাচ্ছে। এ সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ভোর ৪টা থেকে বিকাল পর্যন্ত সেন্টমার্টিনের অদূরে গভীর সাগরে অবস্থান নিয়ে সন্দেহজনক একটি ফিশিং ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে ৯০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করে কোস্টগার্ড। পাশাপাশি ট্রলারে থাকা পণ্য পাচারে জড়িত চোরাকারবারী চক্রের ১৩ জন সদস্যকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে আটক ট্রলারের মাঝি চাঁন মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকাল ৫টার দিকে কোস্টগার্ড ও র‍্যাবের সমন্বয়ে উখিয়া উপজেলার বালুখালী এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে মিয়ানমারে পণ্য পাচারের অন্যতম মূলহোতা আজিম উল্লাহকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটক আজিম উল্লাহ উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পন্থায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী মিয়ানমারের আরকান আর্মির কাছে পাচার করে আসছিল। মিয়ানমারে অবস্থানরত চোরাকারবারি আনোয়ার নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে পণ্যের চাহিদা সংগ্রহ করার পর, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ ও হাতিয়ার বিভিন্ন অসাধু বোট মালিকের সহায়তায় এসব পণ্য সমুদ্রপথে পাচার করতেন আজিম উল্লাহ।

পরবর্তীকালে আটক ট্রলারের মাঝি চাঁন মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকাল ৫টার দিকে কোস্টগার্ড ও র‍্যাব-১৫ (সিপিসি-২) এর সমন্বয়ে উখিয়া উপজেলার অন্তর্গত বালুখালী এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে মিয়ানমারে পণ্য পাচারের অন্যতম মূলহোতা আজিম উল্লাহকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটক আজিম উল্লাহ উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারের টেক্স ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পন্থায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী মিয়ানমারে পাচার করে আসছেন। মিয়ানমারে অবস্থানরত চোরাকারবারি আনোয়ার নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে পণ্যের চাহিদা সংগ্রহ করার পর, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ ও হাতিয়ার বিভিন্ন অসাধু বোট মালিকের সহায়তায় এসব পণ্য সমুদ্রপথে পাচার করতেন আজিম।

পাচারকৃত পণ্যগুলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে স্বশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কাছে সরবরাহ করা হতো বলেও স্বীকার করেন আজিম। আটক আজিম উল্লাহ পণ্য পাচারের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান নিয়ে আসতেন বলেও স্বীকার করেছেন।

জব্দকৃত সিমেন্ট, ব্যবহৃত বোট ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করার জন্য টেকনসফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চট্টগ্রামে পরিত্যাক্ত রেলের বগিতে আগুন

আমার দেশ সাংবাদিকের ওপর হামলা, আসামিকে গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ডলু নদীর ওপর সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

কক্সবাজারে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৮

লামায় পিকআপ খাদে পড়ে চালক নিহত

তিতাসে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের সেবায় ছাত্রশিবিরের হেল্প ডেস্ক

বোয়ালখালীতে মুরগির খামারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

রামগঞ্জে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, নলকূপেও উঠছে না পানি