ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৫ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারবারই রাজত্ব করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মো. আনোয়ার হোসেন। তার প্রথম নির্বাচন ছিলো ১৯৮৬ সালের ৭ মে। এর দুই বছর আবার অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন। আসে ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ। এরপর আসে ১৯৯১ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এ তিন নির্বাচনেই তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী। তিনবারেই লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরাজিত করেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল কুদ্দুস মাখনকে।
২০০১ সালে ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোট থেকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী ছিলেন আনোয়ার হোসেন। ধানের শীস প্রতীকে এ নির্বাচনে তার কাছে হেরে যান নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ ।
২০০৬ সালে এসে যোগ দেন বিএনপিতে। ছিলেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা।
২০১৭ সালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাজী মো. আনোয়ার হোসেন ইন্তেকাল করেন।
২০১৭ সালে নবীনগর হাইস্কুল মাঠে কাজী মো. আনোয়ার হোসেনের প্রথম শোকসভায় যোগ দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, সাবেক মন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাবেক মন্ত্রী হারুন অর রশিদ, উকিল আব্দুস সাত্তার ভূইয়া, সাবেক এমপি আব্দুল খালেক, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহমুদ শ্যামলসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতারা কাজী আনোয়ার হোসেন এর সন্তান কাজী নাজমুল হোসেন তাপসকে আগামী দিনে বিএনপির কান্ডারী হিসেবে নবীনগরবাসীর তুলে দেন। এরপর থেকে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস এই আসনে বিএনপির হাল ধরেন।
২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গোটা নবীনগরে গণ জোয়ার তৈরি করেন কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, ওই নির্বাচনে ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয়কে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল তৎকালীন প্রশাসনের সহযোগিতায় দিনের ভোট ২৯ ডিসেম্বর রাতের আঁধারে ভোট কেটে ফলাফল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।