নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে হুমকি, মারধর ও নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সোমবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের প্রার্থীর লোকজন মোবাইল ফোনে তার দলের নেতাকর্মীদের ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নেয়াজপুর ও অশদিয়া ইউনিয়ন এবং কবিরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের সমর্থকদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এ সময় তিনি আলাউদ্দিন, আবদুল ওয়াদুদ, নিজাম উদ্দিন ও আবদুর রহিম সাদ্দামের নাম উল্লেখ করে বলেন, তারা দলীয় কর্মীদের মারধর করছে এবং নারী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটকেন্দ্রে না আসার জন্য হুমকি দিচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত প্রার্থী আরও দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এ আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হলেও প্রতিপক্ষরা প্রভাব খাটিয়ে সেই তালিকা বাতিল করে নিজের পছন্দের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মহি উদ্দিন, বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি এবিএম হেলাল উদ্দিনসহ ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির প্রার্থী ফখরুল ইসলাম বলেন, এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটে নাই। বরং তারা আমার ভোটার সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।