হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

বাঁশখালীতে বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

মুহিববুল্লাহ ছানুবী, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও পেকুয়ার মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী ছনুয়া খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো, ছনুয়া ও রাজাখালী এ দুই ইউনিয়নের অর্ধলক্ষাধিক বাসিন্দার অন্যতম যাতায়াত মাধ্যম। এখানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি জানিয়ে আসলেও তা বাস্তবায়নে কেউ এগিয়ে আসেনি। ডিজিটাল আধুনিক বিশ্বের এ যুগে সর্বত্রই আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও তা থেকে পিছিয়ে পড়ে আছে ছনুয়া-রাজাখালী খালপাড়ের বাসিন্দারা।

চট্টগ্রাম জেলার সর্বশেষ প্রান্ত ও কক্সবাজার জেলার সূচনালগ্নে আঁকা-বাঁকায় প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী ছনুয়া খাল। ছনুয়া ও পার্শ্ববর্তী রাজাখালী ইউনিয়নকে বিভক্ত করেছে ১৫০ মিটারের প্রস্থ এ খালটি। এ খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ হলে যোগাযোগব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে এ অঞ্চলে। অথচ মান্দাতা আমলের ঝুঁকিপূর্ণ এ বাঁশের সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে গিয়ে আহত হয়েছেন অনেকেই। উপকূলীয় এলাকা হওয়াতে পারাপারের ঝুঁকি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী।

ছনুয়া ইউনিয়নের ছেলবন এলাকার অদূরে ছনুয়া খাল পার হয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন রাজাখালী আরবশাহ বাজার, বেশারতুল উলুম সিনিয়র মাদরাসা, ফয়েজুন্নেছা উচ্চবিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের কয়েকটি মক্তব ও ফোরকানিয়া মাদরাসার ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ীসহ ও অসংখ্য সাধারণ মানুষ। স্থানীয় লেদু মিয়া জানান, ছনুয়া খাল পারাপারে প্রতিদিন ঝুঁকি থেকে যায়। বৃষ্টির দিনে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এখানে সেতু নির্মাণের দাবি শত বছরের হলেও কেউ এগিয়ে আসেনি।

ছনুয়া উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি লায়ন আমিরুল হক এমরুল বলেন, প্রতিদিন ৮-১০ হাজার মানুষ পারাপারে ছনুয়া খালটির ওপর গাডার সেতু নির্মাণের জন্য যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে নিজস্ব তহবিল ও জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রস্তাবিত সেতুর বিপরীতে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ছনুয়া ও রাজাখালীর প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জরুরি প্রয়োজনে পার হচ্ছে নদীর ওপর তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসাপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের সাঁকো পারাপার নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে আহত হচ্ছে। এরপরও খালের ওপর একটি পাকা সেতু তৈরি হচ্ছে না।

রাজাখালী ফৈয়জুন্নেসা উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী পারভীন আকতার বলেন, প্রতিদিন স্কুলে আসা-যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছি। বিশেষ করে ছোট ছেলেমেয়েদের সাঁকো পারাপারে চরম ঝুঁকি নিতে হয়। এক মাস আগে এক ছাত্রী সাঁকো থেকে খালে পড়ে আহত হয়েছে। তাছাড়া বয়স্ক নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীদের সাঁকো পারাপারে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

ছনুয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল আমীন ছানুবী বলেন, বাঁশের সাঁকোর ওপর স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য জেলা পরিষদ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বরাবর বহু আবেদন–নিবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোনো সাড়া মিলছে না।

সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরী বলেন, এখানকার হাজার হাজার মানুষ সাঁকো নিয়ে সমস্যায় আছে। এখানকার মানুষ বাঁশের সাঁকোর ওপর নির্ভরশীল। সাঁকোর বিকল্প একটি পাকা সেতু নির্মাণ করার জন্য ঊর্ধ্বতন মহলে যোগাযোগ চলছে বলেও জানান তিনি।

পিলার ও বিমে ফাটল, ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা

বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন আজাদ সোহেল

বিএনপি ক্ষমতায় এলে শিল্প–বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে

নোয়াখালীর সেনবাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগুন

স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সমীরণ দেওয়ান বহিষ্কার

বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল, বহাল মোবাশ্বের ভূঁইয়ার

১২ তারিখ ধানের শীষে ভোটের বিপ্লব হবে: জসিম উদ্দিন

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে মারমা–ত্রিপুরাদের বিশাল গণমিছিল

সারাদেশে ১১ দলীয় জোটের গণজোয়ার তৈরি হয়েছে: ডা. তাহের