বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ইশতেহার ঘোষণা করতে হবে। সেখানে অবশ্যই শহীদ এবং আহতদের স্বীকৃতি দিতে হবে। যে দল ও সংগঠন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে তাদেরও স্বীকৃতি থাকতে হবে।
বুধবার কুমিল্লা পুলিশ লাইন থেকে শুরু করে ঝাউতলা, বাদুরতলা, কান্দিরপাড় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাতীয় নাগরিক কমিটি জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা পত্রের লিফলেট বিতরণ করে। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি কুমিল্লার নেতারা উপস্থিত ছিল ।
হাসনাত সরকারের উদ্দেশে বলেন, আমরা যে আওয়ামী জাহিলিয়াত ও ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি এটাও স্বীকৃতি থাকতে হবে। আমরা শুনতে পেরেছি । আপনারা বিভিন্ন সিন্ডিকেটের দোহাই দেন। চাঁদাবাজির হাত পরিবর্তন হয়েছে। টেন্ডারবাজি হাত পরিবর্তন হয়েছে। আপনাদেরকে তো আমরা দোহাই দেওয়ার জন্য এখানে আনি নাই । কোনো এক্সকিউজ দেওয়ার জন্য এখানে আনি নাই । আমরা আপনাদের এখানে এনেছি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। যেই হাত চাঁদাবাজি করে। যেই হাত টেন্ডারবাজি করে। সেই হাতকে ভেঙ্গে দিতে হবে । কোনো এক্সকিউজ দেওয়ার সুযোগ আপনাদের নেই ।
তিনি আরও বলেন, ৩১ ডিসেম্বরের পর এতগুলো দিন পেরিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখতে না পাইনি। গত ১৬ বছর যে সকল রাজনৈতিক দলগুলো ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল তাদের অংশগ্রহণ এবং সকল শ্রেণী-পেশা মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। ৪৭,৭১ এবং ২৪ এর যে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনও থাকতে হবে । সেই লক্ষ্যে আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের প্রান্তে গিয়ে জানতে চাইবো তারা ২৪ পরবর্তীতে কি ধরনের বাংলাদেশ দেখতে চায় । আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই ২৪’র বাংলায় যেন আর দেয়া না হয়।