হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের স্থান পটিয়ায় হবে না

বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক এনাম

উপজেলা প্রতিনিধি, পটিয়া (চট্টগ্রাম)

ছবি: আমার দেশ

পটিয়ায় কোনো দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের স্থান হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক এনাম। ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাতে পটিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও নির্বাচনি অফিস উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ পটিয়ায় ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে দেয়নি। মানুষ ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলে ধানের শীষে ভোট দেবে। বিগত সময়ে উন্নয়নকাজের নামে লুটপাট করা হয়েছে। দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের স্থান পটিয়ায় হবে না।

বিএনপি যদি সরকার গঠন করে, তাহলে হতদরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। কৃষকদের কৃষি কার্ড এবং অসচ্ছল রোগীদের হেলথ কার্ড প্রদান করে নানা সুবিধা দেওয়া হবে। দেশের মানুষ বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। এবার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করবে।

নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন ও প্রচারণায় তার সঙ্গে অংশ নেন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের, জেলা বিএনপি নেতা মোজাম্মেল হক, পৌর বিএনপি নেতা আবদুল মাবুদ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফয়েজ, জেলা যুবদল সহ-সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, জেলা জাসাস সেক্রেটারি নাছির উদ্দীন, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবছার আলম, ৭নং ওয়ার্ড সেন্টার কমিটির আহ্বায়ক কাজী নাছির উদ্দীন, সদস্যসচিব নুরুল আলম, সাবেক সেক্রেটারি মামনুল হক, কামাল মেম্বার, যুবদল নেতা এস এম রেজা রিপন প্রমুখ।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন এনামুল হক এনাম।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬

‎পরশুরামে পুকুরে কীটনাশক দিয়ে ১০ টন  মাছ নিধন

আধিপত্য বিস্তারে সংঘর্ষে যুবদলকর্মীর কবজি বিচ্ছিন্ন

হাইমচরে যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ

নারী সেজে ছাত্রদল নেতার টিকটক, বহিষ্কারের পর যা বললেন

চেঙ্গী নদীতে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

তনু হত্যার ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

কুমিল্লার নিমসার বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করল সওজ

এক টানেই ধরা পড়ল ১০১ মণ ইলিশ, ৩৩ লাখে বিক্রি

লালমাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে ৩ বসতঘর ভস্মীভূত, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি