চট্টগ্রাম ও তিন পাবর্ত্য জেলায় প্রথম দিনের বাংলা প্রথম পত্র বিষয়ের পরীক্ষায় ১০০৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন। সকাল দশটা থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২১৮টি কেন্দ্রে ১ হাজার ২১৮টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। দুপুর ১টায় পরীক্ষা শেষ হলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ অনুপস্থিতির সংখ্যা প্রকাশ করে৷ এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬ হাজার ৩৯১ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৭৪ হাজার ৩৪৩ জন।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন। তিনি জানান, শান্তিপূর্ণভাবে কোন ধরণের অনিয়ম ছাড়াই বোর্ডের অধীনের চারটি জেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এবার ২১৮টি কেন্দ্রে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৩৪ হাজার ৯৯১ জন, মানবিক বিভাগে ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫১ হাজার ৭৫০ জন রয়েছে। তন্মেধ্যে কক্সবাজারসহ তিনপাবর্ত্য জেলাও অন্তর্ভূক্ত। তবে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার ৯২ হাজার ৪৪৭ জন পরীক্ষার্থী, কক্সবাজারে ১৮ হাজার ৯২৪ জন পরীক্ষার্থী, রাঙামাটিতে ৭ হাজার ৪১৭ জন পরীক্ষার্থী, খাগড়াছড়িতে ৮ হাজার ৭১ জন এবং বান্দরবানে ৩ হাজার ৮৭৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। বোর্ড জানায়, মোট পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৪ জন হলেও প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ৮৭২ জন। বাকি সংখ্যা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী যারা এক বা একাধিক পরীক্ষায় অংশ নেবে। তার মধ্যে মঙ্গলবার প্রথমদিনে ১০০৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৭৬টি ভিজিল্যান্স টিম গঠন করেছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড। এর মধ্যে ৬৬টি সাধারণ এবং ১০টি বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম মাঠে কাজ করবে।
চট্টগ্রাম বোর্ডের সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রধান নির্বাহী বরাবরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নকল এড়াতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। এছাড়াও পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে সকলকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে বলা হয়েছে। প্রথম দিনের পরীক্ষা সফলভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।