হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দর চালাবে বিদেশিরা, কমিশন যাবে শেখ পরিবারে

সোহাগ কুমার বিশ্বাস, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া টার্মিনাল অপারেশনের দায়িত্ব পেয়েছে ড্যানিশ জায়ান্ট কোম্পানি এপি মোলার মায়ের্স্ক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস। পানগাঁও আর পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) মতোই এখান থেকেও কমিশন যাবে শেখ পরিবারের কাছে।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেওয়া একের পর এক টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া বর্তমান সরকারও অব্যাহত রাখে। বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো সরকারের উদ্দেশ্য থাকলেও এর পেছনে রয়েছে বড় অঙ্কের কমিশন ভাগাভাগির চিত্র। যার পুরোটাই যাচ্ছে শেখ পরিবার ও শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতাদের পকেটে। এতে পতিত ফ্যাসিস্টের অর্থনীতির ভিত আরো মজবুত হওয়ার পাশাপাশি বন্দরের মতো স্পর্শকাতর একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণও থাকবে পলাতক দলটির হাতে। এর ফলে যে কোনো সময় নতুন করে অস্থিরতা তৈরির শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

সবার আগে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ছেড়ে দেওয়া পিসিটির দায়িত্ব পাওয়া সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরএসজিটিআইয়ের লোকাল এজেন্ট শেখ মুজিবুর রহমানের চাচাতো ভাই শেখ হাফিজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এসএইচআর শিপিং। আর সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হওয়া পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগের ব্যবসায়িক অংশীদার সাবের হোসেন চৌধুরীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেডিটেরিয়াল শিপিং কোম্পানি। নির্মাণাধীন লালদিয়ারচর কনটেইনার টার্মিনালের বাংলাদেশি অংশীদার কিউএনএস কনটেইনার সার্ভিসের মালিক শেখ হাসিনার ফুপাতো বোনের স্বামী নুরুল কাইয়ুম খান। চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটির দায়িত্ব নিতে আগ্রহী গ্লোবাল টার্মিনাল অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডের লোকাল এজেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরীর মালিকানাধীন এইচআর শিপিং। আগে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সব কাজ এইচআর শিপিং করলেও গত তিন মাস ধরে এ প্রতিষ্ঠানের কেউ ডিপি ওয়ার্ল্ডের হয়ে বন্দরে আসেনি। এর মধ্যে ডিপি ওয়ার্ল্ড তার লোকাল এজেন্ট পরিবর্তন করেছেÑএমন কোনো তথ্য বন্দরের কাছে নেই। সূত্র জানিয়েছে, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে, যা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। নতুন ইস্যু এড়াতে সাবেরের প্রতিষ্ঠান আপাতত সামনে আসছে না।

বন্দর সূত্র জানায়, গত ১৭ নভেম্বর রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন টার্মিনাল লালদিয়ারচর ও ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য দুটি বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সরকারের শীর্ষ মহলের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ চুক্তি অনুযায়ী আগামী ২২ বছরের জন্য পানগাঁও টার্মিনালের দায়িত্ব দেওয়া হয় সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগকে আর ৩০ বছরের জন্য লালদিয়ারচর টার্মিনালের দায়িত্ব পেয়েছে ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান এপি মোলার মায়ের্স্ক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস। বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। বিদেশি দুটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মেডলগ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এটিএম আনিসুল মিল্লাত এবং এপিএম টার্মিনালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টেইল ভ্যান ডোঙ্গেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদেশি কোম্পানিগুলোর আড়ালে এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করবে আওয়ামী পরিবারের প্রতিষ্ঠানগুলোই। এপিএম টার্মিনালস লোকাল এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করা হয় নুরুল কাইয়ুম খানের মালিকানাধীন কিউএনএস কনটেইনার সার্ভিসেসকে। নুরুল কাইয়ুম আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরকে জিম্মি করে রেখেছিলেন। এ সময়ে তার মালিকানাধীন কনটেইনার ইয়ার্ড অন্য ১৮টি ইয়ার্ডের সমান ব্যবসা করেছে। সরকারি প্রজেক্ট কার্গো হ্যান্ডলিং করেছে একচেটিয়াভাবে। তার প্রভাব এখনো চট্টগ্রাম বন্দরে বিদ্যমান। আওয়ামী লীগ আমলে চট্টগ্রামের পটিয়া ও আনোয়ারা থেকে নির্বাচন করার ইচ্ছা ও প্রচারও চালিয়েছিলেন তিনি।

একই দিনে অনুষ্ঠিত চুক্তিতে পানগাঁও বন্দর অপারেশনের দায়িত্ব পাওয়া সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগের বাংলাদেশি এজেন্টের নাম মেডিটেরিয়াল শিপিং কোম্পানি। যার মালিক আওয়ামী লীগের পতিত মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠান দুটি একে অন্যকে লজিস্টিক ও ট্রান্সপোর্ট সুবিধা দিয়ে আসছে।

২০১৩ সালে কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেনি পানগাঁও টার্মিনাল। প্রতিবছর মোটা অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরকে। ঢাকার ব্যবসায়ীরাও এই টার্মিনাল ব্যবহারে আগ্রহী নন। কারণ, টার্মিনাল পরিচালনায়, অর্থাৎ পণ্য খালাস বা জাহাজীকরণ করতে যে কয়েকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে হয় পানগাঁও টার্মিনাল ঘিরে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো গড়ে ওঠেনি। অভিযোগ রয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে এতদিন এসব সাপোর্ট দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। বছরের পর বছর লোকসান দেখিয়ে শেষ সময়ে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেরাই আনুষ্ঠানিকভাবে টার্মিনালটির দায়িত্ব নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল সাবের হোসেন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান। অথচ চট্টগ্রাম বন্দরে যে পরিমাণ পণ্য আসা-যাওয়া করে, তার সিংহভাগই ঢাকা ও তার আশপাশের প্রতিষ্ঠানের। পানগাঁও টার্মিনালে সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এ টার্মিনাল অব্যবহৃত থাকার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই।

বন্দর সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, নোয়াখালীর সাবেক এমপি ইকরামুল ইসলাম, পটিয়ার এমপি বিচ্ছু শামসুর প্রভাবে বন্দরের মূল অবকাঠামোয় প্রবেশ করতে পারেনি ঢাকার আওয়ামী লীগ নেতাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো। তখন থেকেই আলাদা টার্মিনাল করে বিদেশি অপারেটর প্রতিষ্ঠান নিয়োগের নামে আড়াল থেকে নিজেরাই টার্মিনালগুলো নিয়ন্ত্রণের ফন্দি আঁটেন সালমান এফ রহমান। সে পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই প্রথমে নির্মাণ করা হয় পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল। এরপরই প্রস্তুত করা হয় পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বা পিসিটি। কিন্তু সবার আগে বিদেশি অপারেটর নিয়োগ করা হয় পিসিটিতে।

২০১৯ সালের ৩১ জুলাই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বিশ্বের শীর্ষ টার্মিনাল অপারেটরদের অন্যতম সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে পিপিপিভিত্তিক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। কিন্তু ২০২২ সালের ৭ জুন চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয় রেড সি গেটওয়ে ইন্টারন্যাশনাল বা আরএসজিটিআই নামে যুক্তরাজ্যে নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। পতেঙ্গা টার্মিনাল ছিল সম্পূর্ণ নির্মিত, অর্থাৎ ‘গ্রে ফিল্ড প্রকল্প’ হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু পিপিপি পদ্ধতিতে চুক্তি করলে গ্রিন ফিল্ড প্রকল্পে করার নিয়ম রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত পতিত সরকারের সিদ্ধান্তে রেড সি গেটওয়ে ইন্টারন্যাশনালকেই বুঝিয়ে দেওয়া হয় টার্মিনালটি।

এ চুক্তির বিরোধিতা করায় চট্টগ্রাম বন্দরের ওই সময়ের এক চেয়ারম্যানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি আমার দেশকে জানান, প্রতারণার মাধ্যমে করা ওই চুক্তির বিষয়টি তিনি ধরে ফেলেছিলেন। মূলত ওই কোম্পানির সঙ্গে সালমান এফ রহমানের শেয়ার ছিল। এছাড়া শেখ মুজিবের চাচাতো ভাই শেখ হাফিজের মালিকানাধীন এসএইচআর শিপিং আরএসজিটিআইয়ের লোকাল এজেন্ট। বিষয়টি নিয়ে তখনকার নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু তার কোনো আগ্রহ না দেখে বিষয়টি সরাসরি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লিখিতভাবে জানান। ওই চিঠি পাঠানোর কদিনের মধ্যে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হন শেখ হাসিনার আস্থাভাজন র‌্যাবের সাবেক মুখপাত্র সোহায়েল। বর্তমানে তিনি গণহত্যার সহযোগী হিসেবে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। সোহায়েলকে দিয়েই চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা হয়।

চট্টগ্রামের শিপ হ্যান্ডলিং ও বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের যে তিনটি টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তার সবকটির সঙ্গেই কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগ, বিশেষ করে সরাসরি শেখ হাসিনার পরিবারের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

এদিকে বন্দর সূত্র জানিয়েছে, বন্দরকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে বিদেশি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গেলেও এর পেছনে শেখ পরিবারের কলকাঠি নাড়ানোর বিষয়টি এখনো বুঝে উঠতে পারেনি। তিনি মন্তব্য করেন, টার্মিনালগুলোর দায়িত্বে বিদেশি অপারেটর প্রতিষ্ঠান থাকলেও তার থেকে শেখ পরিবারের কানেকশন বিচ্ছিন্ন করতে না পারলে বন্দরের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ থাকবে পতিত ফ্যাসিস্টদের হাতে।

প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক নসরুল কাদির জানান, টার্মিনালগুলোতে বিদেশি অপারেটর প্রতিষ্ঠান নিয়োগ প্রক্রিয়া অস্বাভাবিক দ্রুততা ও গোপনীয়তার সঙ্গে করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ কিন্তু পতিত সরকারই নিয়েছিল। এই সরকার এসে সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে। উচিত ছিল সবকিছু জনগণের সামনে খোলাসা করা। কিন্তু তা হয়নি। এর ওপর প্রতিটি টার্মিনালের সঙ্গে শেখ পরিবার বা আওয়ামী লীগ পরিবারের যে যোগসূত্র সামনে আসতে শুরু করেছে এটা সাধারণ মানুষের মনে আরো বিরূপ ধারণা তৈরি করবে। একইসঙ্গে এই ঘটনা সত্য হলে দেশের নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

এ ব্যাপারে এপিএম টার্মিনালসের ব্যবসায়িক পার্টনার কিউএনএস কনটেইনার সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, শেখ পরিবারের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় তিনি চট্টগ্রাম চেম্বারসহ বন্দরকেন্দ্রিক একাধিক ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা শেখ হাসিনা এমনকি ড. ইউনুসের আমলেও অব্যাহত রয়েছে। সবার সঙ্গেই তিনি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। শেখ হাসিনার আমলে বাড়তি কোনো সুবিধা তিনি বা তার প্রতিষ্ঠান নেননি। জিটুজি পদ্ধতিতে ডেনমার্ক আর বাংলাদেশ সরকার তাদের ব্যবসায়িক প্রোফাইল দেখেই এপিএম টার্মিনালসের পার্টনার হিসেবে নির্ধারণ করেছে। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচনের চেষ্টা করেছিলেন জানা গেলেও তার দাবি, তিনি কখনো রাজনীতিতে আগ্রহী ছিলেন না।

অন্য দুই লোকাল এজেন্ট কোম্পানির মালিক সাবের হোসেন চৌধুরী ও শেখ হাফিজের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক জানান, টেন্ডারের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অপারেটর নিয়োগ হয়েছে। এটা সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকে হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। সব অপারেটর প্রতিষ্ঠানই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। তবে তাদের সঙ্গে দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের লিংক আছে সেটা তিনি জানেন না। বন্দর কর্তৃপক্ষের এটা জানার বিষয়ও নয়। লোকাল এজেন্ট টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণে করার মতো অত প্রভাবশালীও হয় না। সাধারণত তারা প্রিন্সিপাল প্রতিষ্ঠানের হয়ে কিছু দাপ্তরিক কাজগুলো করে থাকে। বিনিময়ে চুক্তি অনুযায়ী কিছু সার্ভিস চার্জ পায়। এর বেশি কিছু নয়।

উখিয়ায় অন্ধকার নামলেই সক্রিয় ইয়াবা সিন্ডিকেট

চুরি-ডাকাতি বন্ধে গোয়েন্দা টিম গঠন করুন, লোক আমি দেবো

নানার বাড়িতে পিঠা খেতে যাওয়ার রাস্তা আর হবে না: সড়ক উপদেষ্টা

সাবেক জামায়াত আমিরের কবর জিয়ারত করলেন মিন্টু

ষোল বছর বাবা-মায়ের কবর পর্যন্ত জিয়ারত করতে পারিনি: মিন্টু

কুমিল্লায় গাঁজাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

মতলব-গজারিয়া ঝুলন্ত সেতু প্রকল্প পরিদর্শনে কোরিয়ার প্রতিনিধি

উখিয়ার শরী‌ফের লাশ মিললো কুতুব‌দিয়া সৈক‌তে

আওয়ামী দাপটে নাঙ্গলকোট যেন দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ

বাংলাদেশের প্রথম ‘জগন্নাথদিঘি মুক্তাঞ্চল’ দিবস আজ