হোম > সারা দেশ > খুলনা

বিদ্রোহী প্রার্থীতে পাল্টে যেতে পারে বিএনপির হিসাবনিকাশ

কুষ্টিয়া-১

দেলোয়ার মানিক, কুষ্টিয়া

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে আশাবাদী হয়ে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নেতাকর্মীরা। তাদের ধারণা বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় পাল্টে যেতে পারে বিএনপির ভোটের হিসাবনিকাশ। এখানে বিএনপির প্রার্থী উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ (বাচ্চু মোল্লা)। আর বিদ্রোহী হিসেবে আছেন দলটির উপজেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) নুরুজ্জামান (হাবলু মোল্লা)।

এই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ও স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী রয়েছে। তা সত্ত্বেও ভোটের মাঠে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। তবে বিএনপি তাদের বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে জামায়াত প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা আছে বলে সচেতন মহলের ধারণা।

জানা গেছে, এই আসনের কয়েকটি ইউনিয়ন পদ্মা নদীর মাঝে অবস্থিত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে চরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দারা বিএনপির প্রার্থী রেজা আহাম্মেদ (বাচ্চু মোল্লার) সমর্থকদের মাধ্যমে নির্যাতিত হয়ে আসছে। চরের খাস জমিতে বসবাসকারী বেশ কয়েকটি পরিবারকে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরা উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। চরের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগের সমর্থক। তাদের সমর্থন এবার জামায়াতের দিকে ঝুঁকতে পারে।

এছাড়া উপজেলাজুড়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর ছেলে ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে দলের কর্মীরাও রেহাই পায়নি বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

অন্যদিকে, বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুজ্জামানের (হাবলু মোল্লা) বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ না থাকলেও তামাক ও নকল সিগারেটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলের চাইডোবা এলাকার বাসিন্দা সাগর হোসেন আমার দেশকে বলেন, বিএনপির লোকদের অত্যাচারে এবার দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেব।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দৌলতপুরের বিএনপি এক নেতা আমার দেশকে বলেন, নেতাকর্মীরা মান-অভিমান ভুলে ধানের শীষের পক্ষে এক জোট হচ্ছে। তবে প্রার্থীর ছেলে ও ভাইয়ের কারণে সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশের ভোট বিদ্রোহী প্রার্থী পাবেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ভোটের মাঠে প্রভাব পড়বে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজা আহাম্মেদ (বাচ্চু মোল্লা) আমার দেশকে বলেন, আমি ওকে (বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী) গুনি না। নেতাকর্মীরা সবাই আমার সঙ্গে আছে। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলে জানান তিনি।

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুজ্জামান (হাবলু মোল্লা) আমার দেশকে বলেন, আমি জনগণের জন্য রাজনীতি করি। জনগণ চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ এবং থানা দালালদের দৌলতপুরের মাটিতে দেখতে চায় না। সবাই আমাকে সর্বদলীয় প্রার্থী করেছে। আমি যেকোনো মূল্যে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ১২ তারিখে জনগণের ভোটের মাধ্যমে দৌলতপুরের মাটিকে যারা পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে, তাদের রাজনীতি থেকে বিদায় করব ইনশাল্লাহ।

জয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, ভোট যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তাহলে জনগণের সব দলের প্রার্থী হিসেবে এক হাজার পার্সেন্ট এমপি হব ইনশাল্লাহ।

দৌলতপুর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত কুষ্টিয়া-১ আসন। এই আসনের ভোটার চার লাখ ৪৫ হাজার চারজন। বর্তমান ভোটারদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ ভোটার, তারা এবার পরিবর্তনের পক্ষে। তাদের কাছে আগামী নির্বাচনে গণঅভ্যুত্থান-সংস্কার-গণভোট এ বিষয়গুলোই গুরুত্ব পাবে বলে মনে করেন স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহল।

মাঘের শেষেও শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

সব ধর্মের মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে বিএনপি

উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাশেদ-ফিরোজের দ্বৈরথ সুবিধা পেতে পারেন জামায়াতের প্রার্থী

ধানের শীষের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা সেই কিশোরদের ছাড়িয়ে আনলেন রাশেদ

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিন: শেখ ফরিদ

যশোরে ১০ গ্রেনেডসহ অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

ঝিনাইদহে যৌথবাহিনীর অভিযানে ১২ ককটেল উদ্ধার

২২ বছর পর সোমবার খুলনায় আসছেন তারেক রহমান

টমেটো তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু

বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা