খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় হায়দার আলী ও তরিকুল ইসলাম পিকু জোড়া হত্যা মামলায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সাতজনই পলাতক রয়েছেন।
বুধবার দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুসরাত জাবিন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— ফারুক শেখ ওরফে গাড়ী ফারুক, নুর উদ্দিন রাজু, জাহাঙ্গীর হোসেন, সোহেল শিকদার, কালু শেখ, সিদ্দিক, ওয়াসিম ও আব্দুর জব্বার। রায় ঘোষণার সময় ফারুক শেখ ওরফে গাড়ী ফারুক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি সাতজন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফারহানা হক ডেইজি জানান, পূর্বশত্রুতার জের ধরে ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সোনাডাঙ্গা এলাকায় হায়দার আলী ও তরিকুল ইসলাম পিকুকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত হায়দার আলীর ভাই তৈয়ব আলী বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়।
তিনি আরও জানান, তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৩ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই রায়ে অপর্যাপ্ত প্রমাণের কারণে মামলার বাকি ৯ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।