হোম > সারা দেশ > ময়মনসিংহ

বরাদ্দের পরিমাণ না জেনেই প্রত্যয়ন দিলেন স্টেশন অফিসার

উপজেলা প্রতিনিধি, মদন (নেত্রকোনা)

নেত্রকোনার মদন ফায়ার স্টেশনের সংস্কারকাজের বরাদ্দের সঠিক পরিমাণ জানেন না ঠিকাদার, স্টেশন অফিসার ও নেত্রকোনা উপপরিচালক। বরাদ্দের পরিমাণ না জেনেই ওপরের নির্দেশে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর দিয়েছেন স্টেশন অফিসার।

মদন ফায়ার স্টেশন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উন্নয়ন শাখা থেকে মদন ফায়ার স্টেশন সংস্কারের কাজ পায় ‘জোসনার আলো’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন তৈরি, রান্নাঘর সংস্কার ও রংকরণ, গোসলখানা ও শৌচাগার সংস্কার, পানির ট্যাংক কেনা ইত্যাদি সংস্কারকাজ বাবদ রবাদ্দ পায় ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৫ টাকা।

সরেজমিন দেখা যায়, রান্নাঘরের টিন পরিবর্তন করা হয়েছে এবং ভেতরের অংশে রং করা হয়েছে। কিন্তু রান্নাঘরের বাহির অংশে রং করা হয়নি। স্টেশনের চারপাশের দেয়ালের মধ্যে শুধু সামনের দেয়ালের বাহির অংশে রং করা হয়। এছাড়া পানি নিষ্কাশনের জন্য যে ড্রেন তৈরি করা হয়েছে, তা-ও যে খুব বেশি মানসম্মত হয়েছে তা কিন্তু নয়।

নাম না প্রকাশের শর্তে একজন ফায়ার ফাইটার জানান, রান্নাঘরের টিন পরিবর্তন ও ড্রেনের কাজ ছাড়া দেখানোর মতো তেমন কোনো কাজ হয়নি। শুধু শুধু সরকারের টাকা নষ্ট করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার জাকারিয়া বলেন, ‘যা কথা ছিল তার চাইতে বেশি কাজ করেছি। সংস্কারকাজের জন্য কত টাকা বরাদ্দ ছিল? উত্তরে টিকাদার আমতা আমতা করে বলেন, ৩ লাখ বা শোয় ৩ লাখ টাকার মতো বরাদ্দ ছিল। বিল উত্তলনে কার কার ক্লিয়ারেন্স লাগে? উত্তরে ঠিকাদার বলেন, এডি স্যার, ডিডি স্যার ও স্টেশন অফিসারের ক্লিয়ারেন্সে বিল ওঠে। কোনো ইঞ্জিনিয়ারের ক্লিয়ারেন্স লাগে কি না, এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘অধিদপ্তরের উন্নয়ন শাখায় যোগাযোগ করুন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

স্টেশন অফিসার জমিয়ত আলী বলেন, ‘বরাদ্দের পরিমাণ কত আমি সঠিক জানি না। শুনেছি ৩ লাখ টাকার মতো। কী কী কাজ হবে এবং কোন কাজ কতটুকু হবে তা-ও জানি না। ওপরের নির্দেশে বরাদ্দের পরিমাণ না জেনেই সংস্কারকাজ শেষে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করে দিছি। আমাকে ওপর থেকে বলা হয়েছে প্রত্যায়নে স্বাক্ষর দিতে, আমি স্বাক্ষর দিয়া দিছি। আমার কাছে কোনো কাগজপত্র নাই। ওয়ার্ক অর্ডার বা কাজের ইস্টিমেটসহ পুরো ফাইল নেত্রকোনা উপপরিচালক স্যারের কাছে জমা দিয়ে দিছি। কাজ চলাকালীন কাজ বুঝতে কাগজপত্র নিয়ে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি নিজেই কাজের কিচ্ছু বোঝেন না, তো আমি কী করে কাজের বিষয়ে বোঝবেন! আমি বরাদ্দ-টরাদ্দ বুঝি না। কাজ শেষ প্রত্যায়নে স্বাক্ষর দিয়া দিছি।’

নেত্রকোনা উপপরিচালক জাকির হোসেন জানান, মদন স্টেশনে সংস্কারকাজ হয়েছে শুনেছি। এসব কাজে আমাদের কোনো স্বাক্ষর-টাক্কর নাই। এগুলো স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার দেখাশোনা করেন। এছাড়া অধিদপ্তরের উন্নয়ন শাখার লোকজন আছেন, তারা উন্নয়ন কাজগুলো দেখাশোনা করেন।

জেডএম

ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি

নেত্রকোনায় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু

নেত্রকোণায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত ১

সমুদ্রের শৈবালে সম্ভাবনা: বিদেশি প্রসাধনীর বিকল্পে বাকৃবির সাফল্য

মেলান্দহে কালবৈশাখীতে মা-মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

ফুলবাড়ীয়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয় এখন পানের হাট

নেত্রকোণায় এমপির গাড়িতে হামলা, বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার

ভালুকায় রাতের আঁধারে জমির পাকা ধান কেটে নেয়ার অভিযোগ

মদনে জব্দ ২৯ বস্তা চাল নিয়ে ধূম্রজাল

সুশিক্ষা মানুষকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে