জামালপুরে রিকশা চালক মজনু মিয়া অপহরণ মামলায় দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একই সাথে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত সোহেলের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের চন্দনপুর গ্রামে এবং সেলিম ইসলামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জের দিস্তাপাড়া গ্রামে।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ফজলুল হক জানান, ২০১২ সালের ১২ জুন মজনু মিয়া ইসলামপুরের বাড়ি থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। সোহেল মজনু মিয়াকে অপহরণ করে গাজীপুর নিয়ে আটকে রাখে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর এক পর্যায়ে অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে মজনু মিয়াকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে ফিরে পেতে হলে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে দাবি করে অপহরণকারীরা।
এ ঘটনায় ১৭ জুন মজনু মিয়ার বাবা খালেক মিয়া বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটি অপহরন মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ তদন্ত করে আসামি সেলিম ইসলাম ও সোহেলের মজনু মিয়াকে অপহরণের সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা পেয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে আসামী সেলিম ইসলাম উপস্থিত ছিলেন, অপর আসামী সোহেল মিয়া পলাতক রয়েছে।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফজলুল হক ও আসামী পক্ষে এডভোকেট ইসমাইল হোসেন।