হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

আ.লীগ নেতার ডকইয়ার্ড নির্মাণে হুমকির মুখে শহররক্ষা বাঁধ

জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার ডকইয়ার্ড নির্মাণের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে শহররক্ষা বাঁধ। পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বালু কারবারি আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, নদী সিকস্তি জমি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরে নামে মাত্র কিনে আব্দুস সাত্তার বাণিজ্যিকভাবে ছোঁয়ামনি ডকইয়ার্ড নির্মাণ করে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ব্যক্তি মালিকানাধীন পৌর এলাকার ধানবান্ধি ও পুঠিয়াবাড়ী মৌজার সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টের দক্ষিণ পাশে বাঁশ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করছেন। এছাড়া নৌযানের কাঠামো নির্মাণ, যন্ত্রাংশ লাগানো, মেরামত ও নতুন করে সাজানোর জন্য সরকারের খাসজমিতে পাকা ভবনসহ অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন। তার অর্থ ও জনবলের কাছে নদীতীরবর্তী সাধারণ জনগণ বড় অসহায়। ভয়ে কেউ কিছুই বলতে সাহস পায় না। সামাজিক কার্যক্রম, দান-খয়রাত ও মানবতার কাজের আড়ালে যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

পুঠিয়াবাড়ী মৌজার ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক হোসেনপুর নিবাসী আমির হোসেন, ধানবান্ধি মহল্লার আব্দুল মজিদের ওয়ারিশগণ এবং মালশাপাড়া মহল্লার জাহের আলীর ওয়ারিশগণ বলেন, পৌর এলাকার ধানবান্ধি ও পুঠিয়াবাড়ি মৌজার আংশিক বসতবাড়ি, আবাদি জমি প্রায় ৩৫-৪০ বছর আগে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে প্রায় ১২-১৫ বছর ধরে ভেঙে যাওয়া জমিগুলো পলি পড়ে জেগে ওঠে। সেই জমিগুলো বিভিন্ন অজুহাতে আব্দুস সাত্তার জোরপূর্বক জবর দখল করে দীর্ঘদিন ধরে বালুর স্তূপ করে ব্যবসা করছে। প্রায় পাঁচ-সাত বিঘা জমি দখল করে ঘেরা দিয়ে দ্বিতীয় তলা পাকা ভবন করে ছোঁয়ামনি ডকইয়ার্ড নির্মাণের অভিযোগও করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী বলেন, আব্দুস সাত্তার যে জায়গায় ছোঁয়ামনি ডকইয়ার্ড নির্মাণ করেছেন, সেটি সরকারের জায়গা। জায়গাটি বাঁধের নিচে। সুতরাং বাঁধের নিচের জায়গা ব্যক্তির হয় কীভাবে। ডকইয়ার্ড নির্মাণ করায় বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহে বাধাগ্রস্ত হবে। এতে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘যেখানে ইয়ার্ড করা হয়েছে, সেখানে আমার জায়গা কেনা আছে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র নেওয়া আছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি লাগে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র লাগে। সেটি আমার আছে।’

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, মামুন খান বলেন, ডকইয়ার্ড নির্মাণ বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এসিল্যান্ডকে দিয়ে বিয়টি তদন্ত করছি। আমরা বালু ব্যবসায়ী সাত্তারকে ডেকেছিলাম। তিনি জানিয়েছেন, লোকজনের কাছ থেকে স্ট্যম্পের মাধ্যমে জমি নিয়েছি। আমরা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করব।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো, মোখলেছুর রহমান বলেন, নদীর মধ্যে ভবন নির্মাণের অনুমতি আমরা দিতে পারি না। ডকইয়ার্ড নির্মাণের অনুমতি আছে কি না, আমি জানি না।

জেডএম

ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি: সভাপতি টিপু, সম্পাদক মেহেদী

পোরশা সীমান্তে পুশইন ঠেকাল বিজিবি ও স্থানীয় জনতা

শেরপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে চালক নিহত

কাজীপুরে আহত করে গরু ব্যবসায়ীদের টাকা ছিনতাই

ঈশ্বরদীতে এক শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন যুবক

প্রেমের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে বড়াইগ্রামে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৬

ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনে ৭২ লাখ টাকার হেরোইন উদ্ধার

ছয় দাবিতে রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

উত্তরাঞ্চলের কৃষির অগ্রগতিতে নতুন নির্দেশনা