কমতে শুরু করেছে তিস্তা পানি। নদীর ডালিয়া পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার থেকে কমে ৭ সেন্টিমিটারে পৌঁছেছে। পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে থাকায় নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
সোমবার রাতে তিস্তার পানি পর্যায়ক্রমে ৩, ১০ ও ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। মঙ্গলবার সকালে পানির প্রবাহ সামান্য কমে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বিপৎসীমার নিচে না নামলে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। নদীপারের বাসিন্দারা চরম উদ্বেগের মধ্যে আছে।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যার সৃষ্টি করেছিল, তবে এক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকে পানি পুনরায় বাড়তে শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বিপৎসীমা অতিক্রম করায় চলতি মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো বন্যার শঙ্কা প্রবল হয়েছে।
তিস্তার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। লালমনিরহাটের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হওয়ায় মানুষের চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। চরাঞ্চলের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এখন নৌকা ও ভেলা।
পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের চরের বাসিন্দা কামরুজ্জামান বলেন, চরাঞ্চলের বেশ কিছু বাড়িতে পানি ঢুকেছে। পানির চাপ দেখে মনে হচ্ছে বড় বন্যা হতে পারে।
সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে তিস্তায় পানির প্রবাহ বেড়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, মাঠ পর্যায়ে তাদের টিম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।
এমই