আমার দেশ-এ সংবাদ প্রকাশ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেছেন। সরেজমিন তদন্ত চলাকালীন সময়ে টক অব দ্য কিশোরগঞ্জে পরিণত হয় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি জমি দখলের বিষয়টি।
এ বিষয়ে আমার দেশ-এর অনলাইনে গত ২৩ মে ‘ইউপি চেয়ারম্যানের দখলে ১২ কোটি টাকার খাস জমি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ পায়।
সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ১ জুনের এক চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
১০ জুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)কে আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে সদস্য করা হয়। তদন্ত কমিটির আহবায়ক মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কমিটির সকল সদস্য ও অভিযুক্তের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেট বাবু) তার অভিযোগের বিষয় স্বীকার করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, শুধু আমি সরকারি জমি দখল করেছি এমন না। আরও অনেকে তো করেছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক মেহেদী মোর্শেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তদন্ত কাজ করছি। তদন্ত শেষ না হওয়ার আগে কিছু মন্তব্য করা সম্ভব না।
এমএইচ