কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আবারো পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকারের বিরুদ্ধে। এতে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহলে।
বিদ্যালয়ের মাঠে পশুর হাট বসানো এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বাবদ টাকা নেওয়ার অভিযোগে ২০২৪ সালের মে মাসে প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকারের এমপিও স্থগিত করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বর্তমানে তার এমপিও স্থগিত রয়েছে। কিন্তু তাতেও অনিয়ম থেকে সরে আসেননি এই প্রধান শিক্ষক।
বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার দাবি করে গত সপ্তাহে পশুর হাট বসানো হয়েছে।
শুক্রবার দুপুর থেকে ফের বিদ্যালয়ের মাঠে পশু বেচাকেনা করতে দেখো গেছে। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
জানতে চাইলে ইজারাদার আবেদ আলী সরদার বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মাঠে হাট বসানো হয়েছে। বহু বছর ধরে এটা চলে আসছে। ঈদ উপলক্ষে কয়েকটা হাট এখানে বসানো হবে। যদি আইনের কথা বলেন তাহলে ঠিক হয় নাই।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকার বলেন, ঈদ উপলক্ষে হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নিয়মানুযায়ী অনুমতি দিতে পারেন কিনা জানতে চাইলে এর কোনো জবাব দিতে পারেননি তিনি।
উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম আরিফ বলেন, স্কুল মাঠে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর আবেদনের প্রেক্ষিতে আমরা জেলা প্রশাসনের মতামত জানতে চেয়েছি। কিন্তু এখনও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
এমই