হোম > সারা দেশ > রংপুর

কুড়িগ্রামে বিপৎসীমার ওপরে নদনদীর পানি, বন্যার শঙ্কা

জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম

ছবি: আমার দেশ

উজানের ঢল আর ভারী বর্ষণের ফলে কুড়িগ্রামে দুধকুমার, ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহ সব কটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক বন্যার কারণে পরিবারপরিজন ও গৃহপালিত প্রাণী নিয়ে বিপাকে পড়েছে প্লাবিত এলাকার মানুষ। অনেক এলাকায় নতুন করে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙনের।

দুধকুমার নদের পানি ভুরুঙ্গামারীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে পাট, ভুট্টা, চীনাবাদাম, মরিচ, পটলসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের ক্ষেত। আকস্মিক বন্যার প্রভাবে জনজীবনে দুর্ভোগের পাশাপাশি ফসলহানিরও শঙ্কায় রয়েছে কৃষক।

সোমবার দুপুর ১২টার তথ্য অনুযায়ী, দুধকুমার নদের ভূরুঙ্গামারী পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২৩ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেখানে মৌসুমি বিপদসীমা ২৯ দশমিক ৬০ মিটার হলেও পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৮৩ মিটার।

এদিকে ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম সদর সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৮ সে.মি. নিচ দিয়ে, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৭ সে.মি. নিচ দিয়ে এবং তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার মাত্র ২ সে.মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সবকটি নদীতেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

দুধকুমারের তীরবর্তী চর লুচনী গ্রামের বাসিন্দা হাওয়া বেগম বলেন, ‘ বন্যায় বাড়িতে পানি উঠেছে। চেয়ারের ওপর চুলা বসিয়ে রান্না করছি। সমস্যা হলো হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল এবং ছোট বাচ্চাদের নিয়ে। পানি যেভাবে বাড়তেছে তাতে আমাদের সমস্যা আরো বেশি হবে কিন্তু কী করব, আমাদের তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।‘

চিলমারীর কড়াই বরিশাল চরের বাসিন্দা শামসুদ্দিন বলেন, ‘ পানি কম থাকলে স্রোত দূর দিয়ে প্রবাহিত হয়, বৃদ্ধি পেলেই কিনারে আঘাত হানে। পানি বাড়ার কারণে আমাদের এলাকার দুটি পয়েন্টে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। গতো এক সপ্তাহে প্রায় ১৫টি বাড়ি ও কয়েক একর ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘উজানে ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুধকুমার নদ ইতোমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তিস্তা ও ধরলার পানিও বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।‘

এমএইচ

ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ২৩ সে.মি. ওপরে

নীলফামারীতে চেয়ারম্যানের পকেটে জামানত ও ভাড়ার টাকা

তিস্তা নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

কানাডিয়ান জাল ডলারসহ ৫ ভিসা প্রতারক গ্রেপ্তার

গজলডোবার গেট খুলেছে ভারত, তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে

শিবির নেতা হত্যার প্রতিবাদে সাঘাটায় বিক্ষোভ, আসামিদের গ্রেপ্তার দাবি

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেমি ওপরে , বন্যার আশঙ্কা

ক্যাসিনো জুয়াড়িসহ গ্রেপ্তার ৮

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে: মাওলানা আব্দুল হালিম

কাহারোলে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার