‘ইউপি চেয়ারম্যানের দখলে ১২ কোটি টাকার খাস জমি’ শিরোনামে আমার দেশ-এর সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে নীলফামারী জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান স্বাক্ষরিত ১০ জুনের এক অফিস আদেশে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত, সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)কে আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে সদস্য করা হয়েছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ১ জুনের এক চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ মে দৈনিক আমার দেশ-এর অনলাইনে ‘ইউপি চেয়ারম্যানের দখলে ১২ কোটি টাকার খাস জমি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশাসনের এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।