আল হামরা শপিং সিটিতে স্বর্ণের দোকানে চুরির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) সিলেট জেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মহানগরের বন্দরবাজার এলাকার রংমহল টাওয়ারে সংগঠনের কার্যলয়ে সংবাদ সম্মেলন থেকে এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাজুস সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ বলেন- মামলা দায়েরের পর দফায় দফায় আমরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। যোগাযোগ রাখছি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও। পুলিশ থেকে শুধু বলা হচ্ছে- তাদের কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। চোরদের তারা শনাক্ত করে ফেলেছেন, শীঘ্রই গ্রেফতার করতে পারবেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যত কোনো অগ্রগতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে আজ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি আমরা। এই সময়ের মধ্যে চুরির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের সঙ্গে আল হামরা শপিং সিটির ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সিলেট চেম্বার ও সিলেটের সকল ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ একাত্মতা পোষণ করেছেন।
প্রসঙ্গত: ৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে আল হামরার চতুর্থ তলার নুরানি জুয়েলার্স নামক দোকানের (নং-৪৩১, ৪৩৩ ও ৪৩৫) পেছনের দরজার তালা ভেঙে ২৫০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে নিয়ে যায় ৭-৮ জনের চোর চক্র। এ ঘটনায় নুরানি জুয়েলার্স-এর স্বত্বাধিকারী দেওয়ান মো. জাবেদ চৌধুরী মামলা দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এডিসি মিডিয়া) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, চোরদের শনাক্ত করা গেছে। ওরা সিলেটের নয়, বাইরের চোর চক্র। ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালীর একটি বড় সিন্ডিকেট। ঢাকায় একটি গ্রুপ ধরা পড়েছে। ফলে তারা বারবার স্থান পরিবর্তন করায় তাদের ধরতে বেগ পেতে হচ্ছে। আশা করি শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।