তৃণমূলের নেতারাই নির্বাচিত করবে তাদের পছন্দের নেতা । কোনো অবস্থাতেই ওপর থেকে কমিটি চাপিয়ে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন- বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক টিমের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে মৌলভীবাজার জেলার সাতটি উপজেলা ও পাঁচটি পৌরসভার আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণাকালে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহিদ বলেন, বিএনপি বিরাট দল। ফ্যাসিস্ট হাসিনার জুলুম নির্যাতনের কারণে বিগত ১৭ বছর দলের কাউন্সিল ঠিকমতো করতে পারিনি। আমাদের দলে অনেক নেতা তৈরি হয়েছে। যাদের পদ দেয়া দরকার,তাদেরকে দিতে পারিনি। এখন থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে সকল কমিটি হবে।
তিনি বলেন, যারা দু:সময়ে দলের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম রাজপথে ছিলেন, নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এখনও দলের জন্য কাজ করেছেন তারাই দলের নেতৃত্ব দিবেন। অন্যরাও পাশে থাকবে তাদের দূরে সরিয়ে দিবো না।
ডা. জাহিদ বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে, অন্যদেশে আত্মসমর্পণ করেছে। কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর মিথ্যা মামলা,জুলুম-নির্যাতনের পরও এই মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি দেশেই আছেন। দেশ ছেড়ে কোথাও যাননি।
তিনি বলেন,আমাদের নেতা তারেক রহমান আজকে দেশকে এগিয়ে নিতে ৩১ দফা কর্মসূচি দিয়েছেন। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই কর্মসূচি জনগণের কাছে নিয়ে যাবো। জনগণকে আশ্বস্ত করবো। জনগণকে এ কর্মসূচির পক্ষে আমরা ঐক্যবদ্ধ করবো।
ডা: জাহিদ দলের ঐক্যর ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়ে যুদ্ধ করেছেন। আমাদের দলের চেয়ারপারসন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনও এই দেশেই আছেন। জিয়া পরিবারের উপর এতো জুলুম নির্যাতনের পরও কোথাও যাননি। যা নিয়ে আপনারা গর্ব করবেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রহিম রিপনের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ,জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি এম নাসের রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন মিলন, মিফতা সিদ্দিকী প্রমুখ।
এমএস