হোম > সারা দেশ > সিলেট

হবিগঞ্জে পাহাড় কেটে নির্মাণ হচ্ছে পোলট্রি, হ্যাচারি

কামরুল হাসান, হবিগঞ্জ

ছবি: আমার দেশ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নে চা বাগানে পাহাড় কেটে নির্মাণ হচ্ছে পোলট্রি হ্যাচারি। পাহাড়-টিলা কেটে সবুজের এই বিস্তৃতির মাঝেই পোলট্রি হ্যাচারি নির্মাণ হচ্ছে অনুমোদন ছাড়াই। এতে পরিবেশের ক্ষতি ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিন পরিদর্শন ছাড়াই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্রের অনাপত্তি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে এই প্রকল্প ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বলছে, নিজেদের জমিতেই পরিবেশসম্মতভাবে কাজ চলছে। এখানে পরিবেশের ক্ষতি ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুমোদন ছাড়াই পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হচ্ছে এই প্রকল্প। প্যারাগন গ্রুপের মালিকানাধীন ববান চা বাগানের ভেতরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে বিভিন্ন স্থানে মাটি বিক্রি করে আসছে। প্রায় ২২ একর সরকারি টিলা অবৈধভাবে কাটার অভিযোগে ববান টি এস্টেট সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে উপজেলা ভূমি অফিস। তবু প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলমান রেখেছে প্যারাগন গ্রুপ। তাদের দাবি, ২০১৫ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা রিটের প্রেক্ষিতে পাহাড়-টিলা কাটায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু আদালতের সেই নির্দেশনার এক দশক পরও পাহাড় ধ্বংসের এই দৌরাত্ম্য থামেনি।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেন আমাদের পরিবেশ ধ্বংস না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। যারা এসবের মধ্যে যুক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

পানিউমদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান বলেন, ‘পাহাড়ের ভেতরে থাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেননি তিনি। তিনি বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে সরেজমিন তদন্ত করা হবে। তখন আপত্তি এলে সংশ্লিষ্টরা এখানে পোলট্রি হ্যাচারি করতে পারবে না।’

প্যারাগন গ্রুপের ভূমি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সুজিত সাহা বলেন, ‘নিজস্ব জমিতে পরিবেশসম্মতভাবেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিবেশের ক্ষতি ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই।’

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘অবৈধভাবে প্রায় ২২ একর সরকারি টিলা কাটার অভিযোগ রয়েছে। যার ফলে ববান টি এস্টেট সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। তবে জমির মালিকানা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘প্রকল্পটির কোনো অনুমোদন নেই। এমনকি চা বাগানের জন্যও সরকারি লিজ দেওয়া হয়নি। আমরা বিষয়টি তদারকি করছি। ইতোমধ্যে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এএস

ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরালের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার

চন্ডিছড়া চা বাগানে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএসএফের গুলিতে হত্যার পর লাশ গুমের অভিযোগ

হবিগঞ্জে হামের চিকিৎসাসেবায় নার্সের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

সিলেটে হামের উপসর্গে আরো তিন শিশুর মৃত্যু

সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ৪ দালালকে কারাদণ্ড

সৌদিতে অপহরণ, ‎মুক্তিপণ দিয়েও সন্ধান মিলেনি বাংলাদেশি যুবকের‎

সিলেটে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল ছিটিয়ে অভ্যর্থনা চা-শ্রমিকদের

কুলাউড়ায় সন্তানসহ নিখোঁজ প্রবাসীর স্ত্রী

নবীগঞ্জে ৫৮ কেজি গাজাঁসহ আটক ২