হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার জলমহাল ইজারার অনিয়ম নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমীন মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন।
নুরুল আমীন ইউএনও এর বিরুদ্ধে জলমহাল ইজারা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে মানববন্ধন করার ঘোষণা দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা । তিনি তার ফেসবুক আইডিতে জানিয়েছেন, জলমহাল ইজারা প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি বা ঘুষ বাণিজ্যের স্থান নেই।
তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা। জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয় প্রভাবশালীরা সিন্ডিকেট করে তা ভোগ করবে। তদবির নয়, বরং সাধারণ ও প্রকৃত মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিগুলোর স্বার্থ রক্ষায় বদ্ধপরিকর আমরা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপজেলা জলমহাল কমিটির প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক এবং প্রচলিত আইন মেনেই নেওয়া হয়েছে। কোনো বিশেষ মহল বা ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, যদি কারো কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকে, তবে তা উপস্থাপন করুন। প্রমাণ ছাড়া অসত্য তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন।
স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সিন্ডিকেট ভেঙে জলমহাল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এমই