হোম > বাণিজ্য > ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। সোমবার বাজার থেকে আরো ২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার কেনার পর গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.০৬ বিলিয়ন ডলার। আর আইএমএফএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯.৪৭ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাজারভিত্তিক ডলার দর ঘোষণার পর দেশে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। গত জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে ৩১৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫.১০ শতাংশ বেশি। গত ডিসেম্বরে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার। তার আগে পাঁচ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের কম প্রবাসী আয় এসেছে। তার মধ্যে নভেম্বরে সর্বোচ্চ ২৮৯ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল। গত জুলাই ও আগস্টে প্রবাসী আয় এসেছিল যথাক্রমে ২৪৮ ও ২৪২ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বরে কিছুটা বেড়ে ২৬৯ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। পরের মাসে কিছু কম, অর্থাৎ ২৫৬ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির প্রভাবে ডলারের দর দ্রুত কমে যাচ্ছিল। বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংক থেকে উদ্বৃত্ত ডলার কিনে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত জুলাই থেকে সোমবার পর্যন্ত কেনা হয়েছে ৪৭২ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। এতে ডলারের দর এখন ১২২ টাকায় স্থিতিশীল আছে। ডলার প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এ পর্যায়ে এসেছে।

দেশের ইতিহাসে ২০২১ সালের আগস্টে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে গত জুলাই শেষে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল।

একীভূত হওয়ার পর পাঁচ ব্যাংককে ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা ধার

পাঁচ ব্যাংকের পাচার অর্থ ফেরাতে এপ্রিলের মধ্যে এনডিএ চুক্তির নির্দেশ গভর্নরের

সাড়ে আট মাসে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ ৯৮ হাজার কোটি টাকা

আমানতকারীরা আমাদের কাছে নিরাপদ: এসবিএসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান

তিন বছরের মধ্যে এসবিএসিকে সেরা ২৫ ব্যাংকের তালিকায় নিতে চাই

১২ ব্যাংককে ৬৮ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়ে ফেরত পায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক

পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ছুটি শেষে ব্যাংক-শেয়ারবাজার খুলেছে

ঈদ ঘিরে রেমিট্যান্স বাড়ছে, চাঙা রিজার্ভ

ডেপুটি গভর্নর নিয়োগের খবরে বিভ্রান্তি, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে কমতে পারে রেমিট্যান্স প্রবাহ