হোম > রাজধানী

সংস্কৃতিচর্চা ছাড়া সমাজকে আলোকিত করা সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার

সমাজকে সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত রাখতে এবং যুবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সংস্কৃতি চর্চার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে 'আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুস সালাম বলেন, সুস্থ সমাজ ও শরীরের জন্য শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতির চর্চা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের একটি বড় অংশ মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে শেকড় থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আমাদের কিশোর ও তরুণ সমাজ এখন একটি ডিভাইসের ভেতরেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে, যা তাদের সৃজনশীল বিকাশের পথে অন্তরায়।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাঙালির সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ ‘নৃত্য’ আজ অনেকটা ক্ষয়িষ্ণু। তরুণ সমাজ নিজেদের মেধা ও মনন বিকাশের বিস্তৃত জগত থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।

মাদক নির্মূলে সংস্কৃতির ভূমিকা

মাদক সমস্যা প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “যদি একজন তরুণ নৃত্য, সঙ্গীত বা খেলাধুলার সাথে যুক্ত থাকে, তবে মাদক তাকে কখনোই গ্রাস করতে পারবে না।” তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সন্তানদের শুধু পাঠ্যপুস্তকের পড়ায় সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করুন। প্রতিটি শিক্ষিত পরিবারে এক সময় যে সাংস্কৃতিক আবহ ছিল, তা ফিরিয়ে আনা জরুরি।

ডিএসসিসি’র উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আবদুস সালাম জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় পরিচালিত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে নৃত্য ও সঙ্গীতসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি এসব কার্যক্রমকে আধুনিকায়ন এবং প্রশিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। তরুণদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে করপোরেশন বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে নৃত্যকলায় উচ্চশিক্ষার (অনার্স ও মাস্টার্স) সুযোগ তৈরি হওয়া একটি ইতিবাচক দিক। একটি সংস্কৃতিমনা সমাজ গঠনে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ নৃত্য শিল্পী সংস্থার সদস্য অধ্যাপক ড. নিগার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার উপদেষ্টা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী আমানুল হক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সোমা মুমতা এবং বিশিষ্ট নৃত্য পরিচালক মুনমুন আহমেদ।

আলোচনা সভা শেষে গুণী শিল্পীদের সম্মাননা প্রদান এবং মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশিত হয়।

পিচ্চি হেলারের সঙ্গে গরুর হাট নিয়ে দ্বন্দ্বে টিটনকে হত্যার দাবি পরিবারের

গড় আয়ু বাড়লেও প্রবীণদের নিয়ে সচেতনতা বাড়েনি

স্মার্ট পুলিশিংয়ের পথে ডিএমপি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ ৯ ডিজিটাল সেবার যাত্রা

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

নিউমার্কেট এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত

অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার ব্যাপারে সরকার নীতিমালা তৈরি করছে: ডিএসসিসি প্রশাসক

ডেমরায় বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১

আর্থিক অনিয়মের প্রতিবাদে চাকরিচ্যুত, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দুই কর্মকর্তার অনশন

ট্রাস্ট ব্যাংকের ইউনিয়নপে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান

রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৮৬