হোম > আইন-আদালত

গুম-খুনের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিচার শুরু

স্টাফ রিপোর্টার

ফাইল ছবি

গুম করে শতাধিক খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে বিচার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।

বুধবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরুর আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন— শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে বক্তব্য তুলে ধরেন তার আইনজীবী মনসুরুল হক ও নাজনিন নাহার।

তারা বলেন, প্রসিকিশন আসামির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তুলে ধরেছে, তাতে তার কোনো সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারেনি। পরে তারা ট্রাইব্যুনালের কাছে জিয়াউলকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান।

এরপর বক্তব্য রাখনে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, প্রসিকিউশন আসামির বিরুদ্ধে 'প্রাইমা ফেসি' বা প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আবেদন জানান। উভয় পক্ষের বক্তব্য শেষে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর জিয়াউলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠনে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ তুলে ধরেন।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে অবৈধভাবে আটক সজলসহ তিনজন বন্দিকে নিয়ে জিয়াউল ও তার দল গাজীপুরের দিকে রওনা হয়। ঢাকা বাইপাস সড়কে বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থামিয়ে পর্যায়ক্রমে বন্দিদের চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় গুলি করে হত্যা করেন জিয়াউল।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, বরগুনার পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকা ও বলেশ্বর নদীর মোহনা ছিল জিয়াউল আহসানের পরিচালিত হত্যাকাণ্ডের অন্যতম ‘হটস্পট। গভীর রাতে বন্দিদের ট্রলার বা নৌকায় করে নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে মাথা বা বুকে বালিশ চেপে গুলি করা হতো। পরে পেট কেটে সিমেন্টের ব্লক বেঁধে লাশ পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হতো।

এই পদ্ধতিকে ‘গেস্টাপো’ বা ‘গলফ’ কোড নামে পরিচালনা করা হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এভাবে সাবেক বিডিআর সদস্য নজরুল ইসলাম মল্লিক ও আলকাছ মল্লিকসহ কমপক্ষে ৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়, তথাকথিত বনদস্যু দমনের নামে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা অভিযান পরিচালনা করা হতো। পূর্বে আটক ও গুম থাকা ব্যক্তিদের বনদস্যু সাজিয়ে গভীর রাতে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ দেখানো হতো। এসব অভিযানে র‍্যাবের বাছাই করা সদস্যরা অংশ নিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রে জিয়াউল আহসান নিজেই উপস্থিত থাকতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ‘অপারেশন নিশানখালী’, ‘অপারেশন মরা ভোলা’ ও ‘অপারেশন কটকা’ নামে তিনটি অভিযানে অন্তত ৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিলো হাইকোর্ট

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আনিস আলমগীরের জামিন

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির বিএনপি প্যানেল বিজয়ী

সেলিম মণ্ডল হত্যা মামলায় আইভীর জামিন নামঞ্জুর

প্রতারণার মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন টয়োটার এমডিসহ তিন কর্মকর্তা

হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ ২ দিনের রিমান্ডে

আয়নাঘরে গুম করে নির্মম নির্যাতন করা হয় মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল চৌধুরীকে

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

নতুন প্রমাণাদি দাখিলে রামপুরা মামলার রায় ঘোষণা স্থগিত

ছেলে মাকে বলে ফু দিয়ে দাও আল্লাহ যেন শহীদ হিসেবে কবুল করে