হোম > আইন-আদালত

এক্সিম ব্যাংকের ৮৫৮ কোটি আত্মসাৎ, নজরুলসহ ২১ জনের নামে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার

ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন করে এক্সিম ব্যাংকের ৮৫৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। দুদক জানায়, মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস শাখার অসম্পূর্ণ ঋণ প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো যাচাই, সম্ভাব্যতা যাচাই বা স্টক রিপোর্ট ছাড়াই এবং জামানতের বিষয়টি থাকলেও আসামিরা যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদনের সুপারিশ করেন। তারা ইনভেস্টমেন্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও সভাপতি হিসেবে ঋণ অনুমোদনের সুপারিশ, বোর্ড মেমো পাঠানো এবং বোর্ডের অনুমোদন করিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদকের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন। তিনি জানান, তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক জানায়, আসামির তালিকায় আরও রয়েছেন- ‘মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস’ এর প্রোপ্রাইটর মোজাম্মেল হোসাইন, এক্সিম ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. আসাদ মালেক, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দ্বিতীয় কর্মকর্তা মোসা. জেবুন্নেসা বেগম, সিনিয়র অফিসার ও ইনভেস্টমেন্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অফিসার কাওসার আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আরমান হোসেন, সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আনিছুল আলম, অ্যাডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইছরাইল খান ও মো. মঈদুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাকসুদা খানম ও মো. জসিম উদ্দিন ভূইয়া।

দুদক আরও জানায়, এ ছাড়া সাবেক অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহ মো. আব্দুল বারি, সাবেক অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএফও মো. হুমায়ুন কবীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফিরোজ হোসেন, সাবেক পরিচালক ও বর্তমানে চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বপন, সাবেক পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ, পরিচালক মো. নুরুল আমিন, পরিচালক অঞ্জন কুমার সাহা, সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক মো. নাজমুস ছালেহিন এবং সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক মিয়া মোহাম্মদ কাওছার আলমও রয়েছেন তালিকায়।

উল্লেখ্য, বিগত ১৫ বছর আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খ্যাতে ব্যাপক লুটপাট চলে। বিশেষ করে এস আলম গ্রুপের হাতে কয়েকটি ব্যাংক তার কব্জায় চলে যায়। এ ঘটনার একাধিক অভিযোগ সেই সময় দুদকয়ে গেলেও সেগুলো ধামাচাপা পড়ে যায়। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংক মাফিয়ার গাঢাকা দেন। এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারও গাঢাক দেন। অবশেষে ডিবি পুলিশ তাকে গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করে। নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকয়ে কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে। আরও কয়েকটি বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে দুদক।

স্ত্রীসহ র‍্যাবের সাবেক ডিজির ১০ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

ভোলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য লিগ্যাল নোটিশ

প্রসিকিউটর সুলতানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ স্ত্রীর

জামিন পেলেন সংগীত শিল্পী নোবেল

প্রসিকিউশন টিমের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে

অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি শেখ নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ জালিয়াতি তদন্তের নির্দেশ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

বিডিআর হত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন হাসিনাসহ একাধিক আ.লীগ নেতা