হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

জুলাই বিপ্লবের পরও বুটেক্সের হলে শেখ হাসিনার পতন হয়নি

প্রতিনিধি, বুটেক্স

জুলাই বিপ্লবের পাঁচমাস পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তন করা হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

গত বছরের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হলের আবাসিক ছাত্রীরা শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করেন। তারা ‘প্রীতিলতা হল’ নামটি নির্বাচন করেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্রদূত প্রীতিলতা ওয়ার্দেদার অবদান স্মরণ করে। ছাত্রীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং হলের পুরোনো নামফলকও সরিয়ে ফেলা হয়।

শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট ড. মাহমুদা আক্তার জানান, গত বছর শিক্ষার্থীরা নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করলেও তা তখন সিন্ডিকেট মিটিংয়ে উত্থাপন করা হয়নি। এরপর ভিসি পদত্যাগ করেন। যা প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। নতুন ভিসির সময় শিক্ষার্থীদের পুনরায় আবেদন করতে বলা হয়। যা তারা ৯ ডিসেম্বর জমা দেন। এখন বিষয়টি মাইনোরস পাস করে পরবর্তী সিন্ডিকেট মিটিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রাশেদা বেগম দিনা বলেন, শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব একাডেমিক কাউন্সিলে পাস হয়েছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সময়সাপেক্ষ। শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে থেকে অফিসিয়াল মিটিংয়ে একটি নাম চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

হলের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা।

মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে মারধর, হাসপাতালে মৃত্যু

জাবিকে আদর্শ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে সহযোগিতার আশ্বাস

৭৮ পদ, শিক্ষক মাত্র ২১

ঢাবিতে মশার প্রজননস্থল খুঁজবেন শিক্ষার্থীরা

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

ঢাবিতে পরীক্ষায় অসদুপায়: ছাত্রদল, ছাত্রলীগ ও হল সংসদ নেতাসহ ৬৮ শিক্ষার্থীকে শাস্তি

জবি ভিসির পিএসের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমেরিকান সংবিধান দিবস উদযাপন

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে হাসিনার ছবি, দুই শিক্ষককে শোকজ

সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্ক হতে হবে: উপাচার্য আমানুল্লাহ