হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা

প্রতিনিধি, ববি

‎পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির মধ্যেই উপাচার্যের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের’ ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর নিচতলায় (গ্রাউন্ড ফ্লোর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তারা।

‎‎

২২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া কর্মবিরতি ও শাটডাউনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

‎সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আপগ্রেডেশন নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৪ সালের মধ্যভাগেই অনেক শিক্ষক প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। কিন্তু তৎকালীন উপাচার্য ড. শুচিতা শরমিন তার মেয়াদকালে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেননি। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৩ মে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। ততদিনে আরো অনেক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করেন। তারা বারবার আবেদন জানালেও উপাচার্য নানা টালবাহানায় প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত করতে থাকেন।

‎‎

‎শিক্ষকরা জানান, নীতিমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষক পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জনের পর ৪৫ দিনের মধ্যে আপগ্রেডেশন বোর্ডের সভা আহ্বানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয়নি। দীর্ঘ বিলম্বের পর ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে উন্নীত করার জন্য বোর্ড সভা শুরু করা হয়। তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বোর্ড সভার পরপরই সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করে সুপারিশ অনুমোদন দেওয়ার কথা থাকলেও উপাচার্য সেটিও বিলম্বিত করেন। একই সঙ্গে সহকারী থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে উন্নীত করার বোর্ড সভাও আয়োজন করা হয়নি।

‎তারা আরো বলেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট নিরীক্ষায় আসা ইউজিসির কিছু কর্মকর্তার মন্তব্যকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে উপাচার্য পদোন্নতির কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত করে দেন। পরবর্তীতে ইউজিসির সঙ্গে বৈঠকের পর পাওয়া চিঠির ভিত্তিতে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয় আইন নয় বরং ইউজিসির নির্দেশনা ও উপাচার্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

‎শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, উপাচার্য বিভিন্ন সময় শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টদের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ নষ্ট করছেন।

‎এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, স্বায়ত্তশাসন ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় বর্তমান উপাচার্যের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন’ ঘোষণার কথা জানিয়ে দ্রুত এই সংকট সমাধানে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

‎তবে এ বিষয়ে পৃথক এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আপনারা ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ রাখবেন না। আমি শিক্ষকদের অনুরোধ করব, এই কর্মকাণ্ড থেকে তারা যেন বিরত থাকে এবং ক্লাস পরীক্ষা যেন চালু করে। যদি এই ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকে তাহলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিব।

জেডএম

অভিযুক্ত শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর শাস্তি দাবি সংশ্লিষ্টদের

হাবিপ্রবিতে নতুন ৪ সহকারী প্রক্টর নিয়োগ

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে ফরাসি বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎ

জবি শিক্ষার্থী বুলেট বৈরাগী হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

উত্তরবঙ্গের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রাচীন বাতিঘর

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবন নিয়ে ঢাবিতে আলোচনা সভা

রাকসুর উদ্যোগে রাবির ১২ হলে ফার্স্ট এইড বক্স বিতরণ

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য জিয়াউর রহমান

বিশেষ বৃত্তির ব্যাংক হিসাব খুলছে জবি শিক্ষার্থীরা

নানার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাবার নামে, বাকৃবিতে ভর্তি বাতিল