প্যাট্রিয়টস ও বাংলাদেশ ফোরামের নেতৃবৃন্দ
প্যাট্রিয়টস ও বাংলাদেশ ফোরামের নেতৃবৃন্দ পিলখানা গণহত্যা দিবসের স্মরণে এক আলোচনা সভায় বলেছেন, আমরা ইতিহাস ভুলতে আসিনি আমরা সত্য প্রতিষ্ঠা করতে একত্র হয়েছি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ব্যবস্থা বারবার আমাদের গোলামের পথে ধাবিত করেছে। তাই ভিনদেশি আগ্রাসন আমাদের ইতিহাস মুছে দিতে চায়। আমরা ১৯৭১ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ পেয়েছি এবং ২৪'র জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ভারতীয় আগ্রাসন মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য ক্ষমতার মোহ আমাদের আগ্রাসনের ছাতার নীচেই রেখে দিয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক তাসের মাহমুদ বলেন, পিলখানা গণহত্যা বিচার দ্রুত কার্যকর করতে হবে। চির শত্রুদের চিহ্নিত করা আমাদের প্রধান কাজ। ওরা আবারও আমাদের সার্বভৌমত্ব ও সেনাবাহিনীকে টার্গেট করতে পারে। দুর্বল বিচার ব্যবস্থার সুযোগে ভিনদেশি শত্রুরা আমাদের আঘাত করতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে এমদাদ দীপুর বলেন, গত সতেরো বছর ধরে পিলখানা গণহত্যায় নিহত শহীদ পরিবার গুলোর খবর কেউ রাখেনি। অনেক শহীদ পরিবার তাদের কষ্টের কথা কাউকে বলতে পারেনি। আমাদের দাবি পিলখানা শহীদ পরিবার গুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং প্রতি পরিবার থেকে একজন করে সরকারি চাকরিতে যুক্ত করতে হবে।
জাগপা যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি এস এম রহমত উল্লাাহ বলেন, পিলখানায় গণহত্যার মাধ্যমে গত সতেরো বছর ভারত আমাদের গোলাম বানিয়ে রেখেছে। শেখ হাসিনার পতনের পর একটি দলের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আবারও গোলাম বানাতে চায়। আমাদের মনে রাখতে হবে ২৪'র জুলাই যোদ্ধারা এখনো বেঁচে আছে। বাংলাদেশ নিয়ে যদি কোনো সরকার বা গোষ্ঠী চোখ রাঙাতে চায়, তাহলে আবারও বিপ্লব হবে এবং বিপ্লবী সরকার গঠিত হবে।
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক বাংলাদেশ ফোরাম আয়োজিত গত সপ্তাহ ‘পিলখানা গণহত্যা দিবস ২০০৯ স্মরণে’ এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
প্যাট্রিয়টস অফ বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ফোরামের যৌথ সভায় এমদাদ দীপুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট ইমরান আনসারি, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট এস এম রহমানতুল্লাহ, লিটন মজুমদার, মো. আলিম, দীপন গাজী, সাংবাদিক এনামুল হক তালুকদার, রিমন ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক মানবাধিকার কর্মী জ্যাকব মিল্টন, মো. মেজবাহুল হক, রুকসানা পারভিন, বাংলাদেশ জেএসএফের সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, বিলাল হোসেন, তাসের মাহমুদ, ওভি ইসলাম, মানিশ, লিটন খান, আপ বাংলাদেশ সংগঠনের প্রধান মুখ্য সংগঠক, ইনকিলাব মঞ্চের বুরহানসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।