হোম > ফিচার > স্বাস্থ্য

শীতে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যঝুঁকি

ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ

শীতের আগমনে প্রকৃতিতে পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের শরীরেও নানা ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে। তাপমাত্রা কমে যাওয়া, বাতাসের আর্দ্রতা হ্রাস, ধুলাবালু ও বায়ুদূষণ এবং শ্বাসতন্ত্রের জীবাণুর সংক্রমণের কারণে এ সময়ে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা : বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণে এসব সমস্যা হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির কণা এবং দূষিত হাতের সংস্পর্শে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, নাক বন্ধ থাকা, গলাব্যথা, কাশি, মাথাব্যথা ও কখনো জ্বরের মতো লক্ষণ দেখা যেতে পারে। এসব সমস্যার মধ্যে রয়েছে সাধারণ সর্দি, ভাইরাসজনিত গলাব্যথা, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ। এর পাশাপাশি কানের সংক্রমণ, সাইনাসের প্রদাহ, হাঁপানির অবনতি এবং কিছু ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া হতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, পানি ও উপযুক্ত তরল পান করুন। কুসুম গরম পানি গ্রহণ করতে পারেন। নাক বন্ধ থাকলে জীবাণুমুক্ত স্যালাইন ব্যবহার করা যায়। এক বছরের বেশি বয়সিদের কাশিতে সামান্য মধু উপকার দিতে পারে; তবে এক বছরের কম বয়সি শিশুকে মধু দেওয়া যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করবেন না।

হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট : ঠান্ডা বাতাস, ধুলাবালু, ধোঁয়া, অ্যালার্জি এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হাঁপানির উপসর্গ বাড়াতে পারে। শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো শব্দ, বুক চেপে আসা, কাশি ও শ্বাস নিতে অসুবিধা হতে পারে। এসব উপসর্গ হাঁপানি, দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্টের কারণে দেখা দিতে পারে। গুরুতর শ্বাসকষ্ট, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া এবং হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

ধোঁয়া ও ধুলাবালু এড়িয়ে চলুন, ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করুন এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত ইনহেলার ব্যবহার করুন। গরম পানির পাত্র থেকে বাষ্প নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তীব্র শ্বাসকষ্ট হলে ঘরোয়া চিকিৎসার অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।

চুলকানি ও ঠোঁট ফাটা : বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল, কড়া সাবান এবং ত্বকের যথাযথ পরিচর্যার অভাবে চুলকানি ও ঠোঁট ফাটা হতে পারে। ত্বক খসখসে হওয়া, চুলকানি, লালচে দাগ, ঠোঁট ফেটে যাওয়া ও ত্বকে ছোট ফাটল তৈরি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। অতিরিক্ত চুলকানোর কারণে ক্ষত ও জীবাণুর সংক্রমণের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। কুসুম গরম পানিতে অল্প সময় গোসল করুন। গোসলের পরপরই সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার লাগান। ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক আঁচড়ানো থেকে বিরত থাকুন। ক্ষতস্থানে পুঁজ, তীব্র লালভাব বা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

লেখক : প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি

ডেঙ্গুতে আরো ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২

মানসিক প্রশান্তির জন্যই মানুষ বিদেশে চিকিৎসা নেয়

স্তন ক্যানসার সচেতনতায় ঢাকা থেকে বরিশাল

এক দিনে হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৫

ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত না করলে মৃত্যুর মিছিল থামবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

পেঁপে খাওয়ার আগে সতর্ক হোন, ঝুঁকিতে থাকতে পারেন যারা

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২১৮

হামের উপসর্গে আরো ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৬৬

ডেঙ্গুতে আরো ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৪৯

এক দিনে হাম উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৫৬