হোম > ফিচার > তথ্য-প্রযুক্তি

সবজি-ফল-মশলা নিজেরাই দিচ্ছে স্বাস্থ্য টিপস

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

লেবু, আদা, রসুন, মধু বা বিভিন্ন ফল-সবজি মানুষের মতো কথা বলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নিজেদের স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছে। অনেকেই প্রথমে এগুলোকে মজার কনটেন্ট মনে করলেও বাস্তবে এর পেছনে কাজ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি।

এআই প্রযুক্তি কনটেন্ট তৈরির জগতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। সৃজনশীল ধারণা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করলে এমন ভিডিও দিয়েও বড় দর্শকগোষ্ঠী তৈরি করা সম্ভব। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কনটেন্ট নির্মাতারা খুব অল্প সময়েই আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরি করছেন। এমনকি এটি হতে পারে আয়ের নতুন পথও।

বর্তমানে বিশ্বের অনেক কনটেন্ট নির্মাতা এআই ব্যবহার করে স্বাস্থ্য বিষয়ক শর্ট ভিডিও তৈরি করছেন। এসব ভিডিও সাধারণত ছোট হয় এবং সহজ ভাষায় বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের উপকারিতা তুলে ধরা হয়। ফলে দর্শকেরা দ্রুত বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং ভিডিওগুলো সহজেই ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বাস্থ্য, খাদ্যাভ্যাস ও ঘরোয়া প্রতিকার নিয়ে এমন কনটেন্টের চাহিদাও বেশ বেশি।

এই ভিডিওগুলো সাধারণত শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্মে বেশি জনপ্রিয়। যেমন ইউটিউবের শর্টস, ফেসবুকের রিলস এবং টিকটক। এসব প্ল্যাটফর্মে অল্প সময়ের ভিডিও দ্রুত দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে অনেক সময় একটি ভিডিওই লাখ লাখ ভিউ পেয়ে যায়।

এআই দিয়ে এমন ভিডিও বানানোর প্রক্রিয়াটিও তুলনামূলক সহজ। প্রথমে একটি ছোট স্ক্রিপ্ট তৈরি করা হয় যেখানে নির্ধারণ করা হয় কোন উপাদান কী বলবে। এরপর এআই ইমেজ টুল ব্যবহার করে সেই উপাদানের ছবি তৈরি করা হয়। অনেক সময় ছবিগুলো কার্টুন বা অ্যানিমেশন স্টাইলে তৈরি করা হয় যাতে এগুলো আরও আকর্ষণীয় দেখায়।

পরবর্তী ধাপে এআই ভয়েস টুল ব্যবহার করে চরিত্রগুলোর কণ্ঠ তৈরি করা হয়। এতে মনে হয় যেন লেবু, আদা বা অন্য উপাদানগুলো সত্যিই কথা বলছে। এরপর ছবি, ভয়েস ও অ্যানিমেশন একসঙ্গে মিলিয়ে একটি ছোট ভিডিও তৈরি করা হয়। শেষে ভিডিওটি সম্পাদনা করে শর্ট ফরম্যাটে প্রকাশ করা হয়।

এই ধরনের ভিডিও দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, উপস্থাপনাটি মজার ও সহজবোধ্য হওয়ায় দর্শকেরা দ্রুত আকৃষ্ট হন। দ্বিতীয়ত, ভিডিওগুলো ছোট হওয়ায় মানুষ সহজেই পুরোটা দেখে ফেলেন। তৃতীয়ত, এআই ব্যবহার করে খুব কম সময়েই নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব হয়।

এসব ভিডিও থেকে আয়ের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। অনেক কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব মনিটাইজেশন, ফেসবুক বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড স্পনসরশিপ বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন। নিয়মিত ভাইরাল ভিডিও তৈরি করতে পারলে মাসে উল্লেখযোগ্য আয়ও সম্ভব।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভুল বা যাচাইহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়লে তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই স্বাস্থ্য টিপস শেয়ার করার আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র ব্যবহার করা প্রয়োজন।

ফেসবুকে ‘থাম্বস ডাউন’ ইমোজি,র অর্থ কী?

হিডেন মেসেজ পাঠানো যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডাকবিভাগ কাজ করবে: আনাম

অ্যালগরিদম চিন্তাভাবনাও নিয়ন্ত্রণ করে

প্রযুক্তির সহায়তায় কনটেন্ট নির্মাণ

এআই যুগে সত্য-মিথ্যা তথ্য শনাক্তের উপায়

রোজায় ফ্রিল্যান্সিং কাজের রুটিন

যে ভুলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট

৩ মার্চ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, চাঁদ হবে রক্তিম

ট্রাম্পের নির্দেশ অ্যানথ্রপিকের সঙ্গে কাজ বন্ধ করার