হোম > ফিচার > আমার জীবন

পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে করণীয়

সৈয়দ হাবিব আলী

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশে সরকারের ভূমিকা অপরিসীম। বেসরকারি খাত যতই সক্রিয় হোক না কেন নীতি প্রণয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া পর্যটনশিল্প এগিয়ে যেতে পারবে না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সরকারের বহুমাত্রিক ভূমিকা রয়েছে।

১. নীতি প্রণয়ন ও পরিকল্পনা

সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো একটি সুস্পষ্ট, দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবসম্মত পর্যটন নীতিমালা তৈরি করা।

জাতীয় পর্যটন নীতি : সরকারকে একটি সামগ্রিক জাতীয় পর্যটন নীতি প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত থাকবে। এই নীতিতে পরিবেশ সংরক্ষণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

পর্যটন পরিকল্পনা : শুধু নীতি নয়, একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। কোন অঞ্চলে কী ধরনের পর্যটন উন্নয়ন করা হবে, কী পরিমাণ বিনিয়োগ দরকার হবে এবং এতে কতজন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবেÑএসব বিষয় কৌশলগত পরিকল্পনায় থাকতে হবে।

পর্যটন জোন ঘোষণা : বিশেষ পর্যটন অঞ্চল ঘোষণা করে সেখানে বিশেষ সুবিধা, নিয়মকানুন ও বিনিয়োগ সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এরই মধ্যে তিনটি স্থানে ETZ ঘোষিত হলেও অগ্রগতি অতি সামান্য।

২. প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (BTB) সক্রিয় করা : বর্তমানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কার্যকরভাবে ততটা সক্রিয় নয়। সরকারকে এই প্রতিষ্ঠানকে আরো শক্তিশালী, স্বায়ত্তশাসিত ও সম্পদবহুল করতে হবে। BTB-কে পর্যটন উন্নয়নের মানসিকতায় পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে।

পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া দ্রুত করতে হবে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় : পর্যটন খাতের উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, অর্থ, যোগাযোগ, পরিবেশ, সংস্কৃতি, ভূমি, স্থানীয় সরকার ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ আরো অনেক মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। সেজন্য মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

৩. অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি বিনিয়োগ

অবকাঠামো উন্নয়নে বেসরকারি খাতের আগ্রহ সীমিত; কারণ এতে বিনিয়োগ বেশি, কিন্তু মুনাফা আসতে সময় লাগে। এই জায়গাটাই সরকারের প্রধান কাজের ক্ষেত্র।

সড়ক ও যোগাযোগ : পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যন্ত মানসম্পন্ন সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ সরকারকেই করতে হবে। রেলপথ সম্প্রসারণ করে কক্সবাজার, সিলেট, পার্বত্য অঞ্চলসহ পর্যটন অধ্যুষিত এলাকার সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে হবে।

বিমানবন্দর উন্নয়ন : কক্সবাজার বিমানবন্দরকে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আন্তর্জাতিক ট্রানজিট হাবে রূপান্তর করতে হবে। পাশাপাশি সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের ধারণক্ষমতা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে সব ধরনের আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে হবে।

নদী ও সমুদ্রপথ উন্নয়ন : নদীমাতৃক বাংলাদেশে জলপথ পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারকে নদীর নাব্যতা রক্ষা করতে হবে, আধুনিক নদীবন্দর নির্মাণ করতে হবে এবং ক্রুজ ট্যুরিজমের জন্য নীতিমালা তৈরি করতে হবে।

পর্যটন পার্ক ও সুবিধা কেন্দ্র : প্রতিটি প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে সরকারি উদ্যোগে বিশ্রামাগার, তথ্যকেন্দ্র, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, পার্কিং এবং পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করতে হবে।

৪. বিনিয়োগ উৎসাহিতকরণ ও আর্থিক প্রণোদনা

সরকার সরাসরি সবকিছু করতে পারবে না, তাই বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আকর্ষণীয় সুবিধা দিতে হবে।

কর সুবিধা ও ছাড় : পর্যটন খাতে নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কর অবকাশ (Tax Holiday) দিতে হবে। হোটেল, রিসোর্ট ও পর্যটন সুবিধা নির্মাণে আমদানি শুল্ক হ্রাস এবং শুল্কমুক্ত পর্যটকবাহী যানবাহন আমদানির সুযোগ দিতে হবে।

সহজ ঋণ সুবিধা : ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যটন উদ্যোক্তাদের জন্য কম সুদে ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যটন উন্নয়ন তহবিল গঠন করে সেখান থেকে অর্থায়ন করা যেতে পারে।

পিপিপি (Public-Private Partnership) মডেল : এককভাবে কাজ না করে সরকারকে বেসরকারি অংশীদারদের সঙ্গে মিলে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য পিপিপি মডেল সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করতে হবে।

৫. ভিসা ও প্রবেশ সুবিধা সহজীকরণ

পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া জটিল হলে পর্যটন বিকশিত হয় না। অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা আরো বেশি দেশের নাগরিকদের জন্য চালু করতে হবে। ই-ভিসা পদ্ধতি সহজ ও দ্রুততর করতে হবে। ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ বাড়ানো এবং মাল্টিপল-এন্ট্রি সুবিধা দিলে দীর্ঘমেয়াদিভাবে পর্যটকরা আকৃষ্ট হবেন। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া আধুনিক ও হয়রানিমুক্ত করতে হবে। ভিসার বিষয়টি দুটি দেশের মধ্যে সমতার ভিত্তিতে হলেও কিছু দেশের ভিসার ব্যাপারে বাংলাদেশকে ছাড় দিতে হবে।

৬. ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ

সরকারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো পর্যটনের কাঁচামাল, অর্থাৎ দেশের প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদ রক্ষা করা।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণ : পাহাড়পুর, মহাস্থানগড়, ময়নামতি, ষাট গম্বুজ মসজিদসহ সব প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করে সংস্কার ও সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। অবৈধ দখল ও নির্মাণ থেকে এই স্থানগুলো রক্ষা করতে হবে। পর্যটকবান্ধবভাবে স্থাপনাগুলো গড়ে তুলতে হবে।

বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা : সুন্দরবনসহ হাওর ও অন্যান্য বনাঞ্চল ঘিরে যে পর্যটন তৈরি হয়েছে, তা টিকিয়ে রাখতে হলে প্রতিটি স্থানে পর্যটকবান্ধব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পর্যটক প্রবেশের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষিদ্ধ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং পরিবেশগত মানদণ্ড প্রতিপালন নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।

সমুদ্রসৈকত ব্যবস্থাপনা : কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সৈকতকে পরিষ্কার ও পরিবেশবান্ধব রাখতে সরকারকে প্লাস্টিকবিরোধী নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে। সৈকত দখলমুক্ত ও পর্যটকবান্ধব রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

ইউনেসকো তালিকাভুক্তির উদ্যোগ : বাংলাদেশে আরো বেশি স্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে সরকারকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

৭. দক্ষ জনশক্তি ও প্রশিক্ষণ

পর্যটনশিল্পের মানোন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ অপরিহার্য। হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ট্যুর গাইডিং, রেস্তোরাঁ সার্ভিস এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে পেশাদার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর (যেমন : NHTTI) সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং প্রয়োজনে এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে হবে। ট্যুর গাইডদের ভাষা দক্ষতা, বিশেষত ইংরেজি, চীনা, জাপানি, কোরিয়ান ও আরবি ভাষায় প্রশিক্ষণ দেওয়া দরকার। আতিথেয়তার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট সবার মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে, পাশাপাশি এ খাতে কর্মরত জনবলকে আচরণগত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

৮. বিপণন ও ব্র্যান্ডিং

বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে কার্যকর বিপণন কৌশল অত্যন্ত জরুরি।

জাতীয় ব্র্যান্ড তৈরি : ‘Beautiful Bangladesh’ বা অনুরূপ একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড তৈরি করে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। ইন্ডিয়ার ‘Incrideble India’ থাইল্যান্ডের ‘Amazing Thailand’ বা মালয়েশিয়ার ‘Truly Asia’ ক্যাম্পেইনের মতো সুচিন্তিত ব্র্যান্ডিং কৌশল এবং প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত পদক্ষেপ নিতে হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং : সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউব, ট্রাভেল ব্লগ এবং ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে তরুণ পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশকে পরিচিত করাতে হবে। বিদেশি ট্রাভেল ব্লগারদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার আয়োজন করতে হবে।

আন্তর্জাতিক ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে সম্পর্ক : বিদেশি ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে তাদের প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত করাতে হবে এবং বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশকে পরিচিত করার জন্য রোড শো’র আয়োজন করতে হবে।

আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় অংশগ্রহণ : বার্লিন, লন্ডন, দুবাইসহ বিশ্বের প্রধান ট্যুরিজম এক্সপোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরো জোরালো করতে হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলোকে এসব মেলা লক্ষ করে রোড শো-সহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

৯. নিরাপত্তা ও পর্যটকবান্ধব পরিবেশ

পর্যটকরা সবার আগে নিরাপত্তা খোঁজেন। পর্যটন এলাকায় বিশেষ ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। পর্যটকদের হয়রানি, প্রতারণা এবং চাঁদাবাজি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পর্যটকদের জন্য নিবেদিত হেল্পলাইন ও অভিযোগ কেন্দ্র চালু করতে হবে। পর্যটন এলাকায় বহুভাষিক সাইনবোর্ড ও তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। পর্যটক অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ এলাকা সার্বক্ষণিকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

১০. পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই পর্যটন

পর্যটনের নামে পরিবেশ ধ্বংস করলে দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতিই হবে। সুন্দরবনসহ সব বনাঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে এবং ইকোফ্রেন্ডলি নীতি মেনে চলতে হবে। সমুদ্রসৈকতে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করতে হবে এবং কঠোরভাবে তা কার্যকর করতে হবে। কার্বন-নিরপেক্ষ পর্যটন উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। স্থানীয় সম্প্রদায়কে পর্যটন উন্নয়নের অংশীদার করতে হবে, যাতে তারা পরিবেশ সংরক্ষণে অনুপ্রাণিত হয়।

১১. ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত সহায়তা

জাতীয় পর্যটন পোর্টাল : সরকারি উদ্যোগে একটি আকর্ষণীয়, বহুভাষিক ও তথ্যসমৃদ্ধ জাতীয় পর্যটন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ তৈরি করতে হবে, যেখানে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং পর্যটকরা যাতে সেটি সহজভাবে ব্যবহার করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা : বিদেশি পর্যটকদের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা পর্যটন কেন্দ্রগুলোয় নিশ্চিত করতে হবে।

ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন : প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলোয় বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু করতে হবে, যা আধুনিক পর্যটকদের জন্য একটি বড় আকর্ষণ হতে পারে।

বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে বিশ্বমানের করে তুলতে হলে সরকারকে নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক ও সুবিধাদাতা—এই চারটি ভূমিকা একই সঙ্গে পালন করতে হবে। সেজন্য সরকারপ্রধানের অধীনে একটি ‘পর্যটন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। সরকার যদি দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি রেখে রাজনৈতিক সদিচ্ছার সঙ্গে এবং বেসরকারি খাতকে পাশে নিয়ে এগিয়ে যায়, তাহলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে। পর্যটন শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন এবং জাতীয় গর্বের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

লেখক : উপদেষ্টা, ট্যুরিজম ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিডাব)

পিঠা উৎসব

সালাদের দুই পদ

ভালো ফল পেতে কখন ব্যায়াম করবেন

বৃষ্টির দিনে কী খাবেন?

চুমুকেই তৃপ্তি

মেকআপ নষ্ট না হওয়ার টিপস

গরমে শিশুদের সুতি ও হালকা রঙের পোশাক

গরমেও স্বস্তিপ্রদ রান্না

বৈশাখীর মেলায় যাই রে....

বৈশাখের তপ্ত দুপুরের পানীয়