হোম > ফিচার > নারী

কাজকে ভালোবাসুন, সহমর্মী হোন

বিউটি হাসু

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড লা রিভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মন্নুজান নার্গিস। প্রায় ২৮ বছরের কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে তিনি আজকের অবস্থানে এসেছেন। রিভ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও পরিচালকদের একজন তিনি। কর্মজীবনের প্রথম দিকের দিনগুলোতে তিনি কিছুকাল বারডেম হাসপাতালে রিসার্চ ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন। একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তার অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।

জন্মগ্রহণ ও পরিবার

জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকায়। ১৯৭১ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি জন্ম। তিন ভাইবোনের মধ্যে অবস্থান মেজো, ভাই ছোট। বাবা অ্যাটমিক এনার্জিতে কাজ করতেন, মা ছিলেন গৃহিণী। মা কিছুদিন একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেছিলেন।

ছেলেবেলা কেমন কেটেছে

খুব ডানপিটে ছিলাম। পাড়ায় গোল্লাছুট, দাঁড়িয়াবান্ধা আর ব্যাডমিন্টন খেলতাম; আমাদের পাশেই মায়েরাও খেলতেন। বেড়ে ওঠার চমৎকার পরিবেশ ছিল সেই সময়ে। স্কুলে রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতাম, বিতর্কে অংশ নিতাম। এই বিষয়গুলো আমার ব্যক্তিসত্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করি। বেড়ে ওঠার সুস্থ পরিবেশটাও বাবা-মা চমৎকারভাবে নিশ্চিত করেছিলেন।

বিবাহিত জীবন…

ব্যক্তিগত জীবনে আমার হাজবেন্ড এম রেজাউল হাসানও খুবই মেধাবী। তিনি রিভ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা, আমার দেখা অন্যতম সেরা ভিশনারি বা দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব। দুই হাজার দশকের শুরুর দিকে, যখন ইন্টারনেটের ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়ছে, তিনি সফটওয়্যার প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। তার প্রতিষ্ঠিত রিভ সিস্টেমস এখনো দেশের বাইরে বাংলাদেশের জন্য সুনাম কুড়িয়ে চলেছে। আজ রিভ গ্রুপ ও লা রিভ যে অবস্থানে পৌঁছেছে, সেটির পেছনে তার পরিশ্রম ও অবদান অনেক।

কাজে কারা অনুপ্রেরণা দেন

অনুপ্রেরণা আসলে পরিবার থেকেই আসে। শুরুতে মা-বাবা স্বাধীনভাবে যেকোনো কাজ করতে উৎসাহ দিতেন, কখনোই কোনো কাজে বাধা দিতেন না। বিয়ের পরে স্বামীও সব কাজেই উৎসাহ দিয়েছেন। পড়াশোনা থেকে শুরু করে রিসার্চের জন্য বিদেশ ভ্রমণ একাই করতে পেরেছি। কখনোই কোনো কাজে পরিবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

আমি যখনই যে কাজ করেছি, কাজটা ভালোবেসে, খুব যত্ন নিয়ে করার চেষ্টা করেছি। এই মুহূর্তে লা রিভই আমার ধ্যান-জ্ঞান। যদি আপনি কাজটা ভালোবাসা থেকে করেন, কাজই আপনাকে অনুপ্রেরণা দেবে, রাস্তা দেখাবে। পছন্দের কাজের চাইতে বড় অনুপ্রেরণা আর কিছু হতে পারে না। আরেকটি বড় অনুপ্রেরণার জায়গা লা রিভের ফ্যান বা ক্রেতারা। তাদের জন্যই নিজেকে নিজে ছাড়িয়ে যাওয়ার এই যে তাড়া, উৎসাহ পাই।

লেখাপড়া ও চাকরিজীবন

মণিপুর হাইস্কুলে পড়েছি। সবসময়ই প্রথম হতাম। কলেজ হলিক্রস। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসিতে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স কমপ্লিট করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে M.Phil. সম্পন্ন করেছি।

আমার ক্যারিয়ারের শুরু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান নোভার্টিস ফার্মাসিউটিক্যালসে। এরপর বারডেমে রিসার্চ ফেলো হিসেবে যোগদান করি। ওই সময় নিজের থিসিস প্রেজেন্ট করতে ভারত ও ইউরোপ ঘোরা হয়েছে। পরবর্তীকালে সেই সময়ের স্টার্টআপ কোম্পানি রিভ সিস্টেমসে বিনিয়োগ করার সুযোগ আসে—এভাবেই উদ্যোক্তা হিসেবে আমার আত্মপ্রকাশ। রিভ সিস্টেমসে আমি ছিলাম অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর।

২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার সময়ে আমরা ভাবতে শুরু করি—কীভাবে ব্যবসা বৃদ্ধি করা যায়। দেশে তখনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরা যায়, এমন টার্গেট করে কোনো ব্র্যান্ড নেই। আমরা ওই জায়গাটাতেই কাজ শুরু করলাম, ফিউশন ডিজাইন নিয়ে কাজ শুরু করলাম। এভাবেই ২০০৯ সালে লা রিভের জন্ম।

লা রিভ শুরুর আগেও আমি ফ্যাশন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা করেছি। নানইয়াং অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস (NAFA) ও টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি ট্রেনিং সেন্টার (TaF.tc) থেকে বিশেষায়িত ডিগ্রি নিয়েছি। প্যারিস ও সিঙ্গাপুরে ফ্যাশন বিষয়ে কোর্সের পাশাপাশি লন্ডন ও নিউ ইয়র্কের ফ্যাশন উইকে গিয়েছি।

উদ্যোক্তা হওয়ার ভাবনা মাথায় আসে কবে এবং কেন পোশাক ব্র্যান্ড…

রিভ গ্রুপের অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর হিসেবে যুক্ত হওয়া। ওই সময়টা আমরা সবাই সমানতালে কাজ করেছি। প্রতিটা দিন ছিল নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের। বাংলাদেশের পোশাক, সুতা ও কাপড়ের মান বিশ্বমানের। আমরা কীভাবে দেশের এই রিসোর্স নিয়ে কাজ করা যায়, তা নিয়ে ভেবেছি। সেটাই আমাদের ফ্যাশন ব্র্যান্ডের দিকে নিয়ে গেছে। গ্রুপের সবার সিদ্ধান্ত এবং আমার ব্যক্তিগত দক্ষতা ও আগ্রহ মিলে লা রিভের উদ্যোগ শুরু করি।

সারা দেশে লা রিভের কতগুলো শোরুম এবং কতজনের কর্মসংস্থান

এই মুহূর্তে বাংলাদেশে লা রিভের মোট স্টোর ২৯টি, যা সারা দেশে ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত হয়েছে। সিঙ্গাপুরেও আমাদের নিজস্ব স্টোর আছে। সিঙ্গাপুরে বসবাসরত চীনা, মালয়, ভারতীয় ও ইউরেশীয় মানুষরা লা রিভের পোশাক খুবই পছন্দ করেন। কর্মসংস্থানের দিক থেকে সরাসরি একটি ‘একক সংখ্যা’ বলা কঠিন; কারণ রিটেইল স্টোর, হেড অফিস, ডিজাইন-প্রোডাক্ট টিম, অপারেশন, ডিজিটাল, বিভিন্ন ইউনিটে লোকবল যুক্ত থাকে এবং সময়ের সঙ্গে বদলায়। স্থায়ী কর্মী হিসেবে লা রিভে প্রায় এক হাজার ৬০০ সহকর্মী কাজ করছেন।

১৬ বছরের যাত্রায় অভিজ্ঞতা

লা রিভের যাত্রাপথে আমি বারবার চেষ্টা করেছি কালেকশনে গল্প থাকুক, কিউরেশন থাকুক, আর ক্রেতা যেন স্টোরে এসে স্বস্তি পান। এই স্থায়িত্ব এসেছে দুটি জায়গা থেকে—এক. ধারাবাহিক মান; দুই. নতুনকে গ্রহণ করার সাহস। এই পথ আমাকে শিখিয়েছে—প্রতিদিন ‘স্ট্যান্ডার্ড’ আপডেট করতে না পারলে গ্রোথ টেকসই হয় না। এটা আমার জন্য প্রায় দুই দশকের একটানা শেখার অভিজ্ঞতা। প্রতিটি সিজনেই আমরা নতুন নতুন প্ল্যান, প্রিন্ট ও ইভেন্ট প্ল্যান করি।

নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কখনো বৈষম্যের শিকার হয়েছেন কি

সত্যি বলতে আমি ‘নারী উদ্যোক্তা’ কথাটা ব্যবহার করি না। কাজের ক্ষেত্রে সবাই সমান। সবারই স্বপ্ন ও পরিশ্রমের জায়গাটা বড়। বরং নারী বললেই অনেকেই ভাবেন, জেন্ডার বায়াস ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। অথচ দেখুন, নারীরা কারো চাইতে কম কাজ করেন না। এটা ঠিক যে, নারী পরিচয় দিলে অনেক সমাজে আপনাকে যোগ্যতার দ্বিগুণ প্রমাণ দিতে হয়। কিছু জায়গায় কথার ভেতরেই সন্দেহ থাকে—আপনি পারবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কি না!

কাজ করতে গেলে চ্যালেঞ্জ আসবেই। আমি চেষ্টা করেছি বিষয়টাকে ব্যক্তিগত ক্ষোভে না নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতা হিসেবে বুঝতে। ফলে আমার জবাব হয়েছে কাজের মান, পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা এবং ফলাফল। দীর্ঘ মেয়াদে যেকোনো সমস্যার সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হলো পারফরম্যান্স; সেটাই ধারণা বদলায়, দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়।

কর্মক্ষেত্রে নারীরা কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়, করণীয় কী

আমার মতে, চ্যালেঞ্জগুলো সাধারণত নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ক্যারিয়ার ব্রেকের পর ফিরে আসার সুযোগ, উন্নয়ন ও প্রমোশনে ন্যায্যতা এবং নেতৃত্বে নারীর প্রতিনিধিত্ব—এ বিষয়গুলোয় বেশি দেখা যায়। অনেক সময় ‘অবচেতন পক্ষপাত’ও কাজ করে যেটা দৃশ্যমান নয়, কিন্তু সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। এই বিষয়গুলো মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানকে পলিসি এবং কালচার দুদিকেই কাজ করতে হবে—স্পষ্ট নিয়ম, অভিযোগের কার্যকর প্রক্রিয়া এবং পারফরম্যান্স-ভিত্তিক মূল্যায়ন।

একইসঙ্গে নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন, মেন্টরশিপ এবং নেতৃত্ব প্রস্তুতির সুযোগ তৈরি করা জরুরি। নারীদের উচিত দক্ষতা অর্জন করা। দক্ষ শক্তিকে কেউ দমাতে পারে না, সে নারী হোক বা পুরুষ। কমপিটেন্স, কনফিডেন্স ও কমিউনিকেশন—এই তিনটি নিয়মিত চর্চা করলে যেকোনো উদ্যোক্তার জন্য পথটা সহজ হয়।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী

আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মূল অংশজুড়ে আছে লা রিভই। দেশি পোশাকে আন্তর্জাতিক ফ্যাশনের ফিউশন—এই ভাবনা থেকে লা রিভের যাত্রা শুরু হয়েছিল। ভবিষ্যতে আমি লা রিভকে বিশ্ব ফ্যাশন অঙ্গনে নিয়ে যেতে চাই, একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। ডিজাইনে ও মানে লা রিভও একদিন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফ্যাশন রিটেইলে রূপ নেবে—এ জায়গায় যেতে চাই।

আর ব্যক্তিজীবনের পরিকল্পনা আছে অনাথ শিশুদের জন্য কিছু করা। আমি চাই ভবিষ্যতে এমন কিছু করতে যেন বাংলাদেশের একটি শিশুকেও আর কোনোদিন রাস্তায় রাত কাটাতে না হয়। এই স্বপ্নটাকেই ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চাই।

নতুন ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কিছু বলুন…

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বলব, নিজেকে ‘নারী উদ্যোক্তা’ ট্যাগে আটকে না রেখে আগে দক্ষ বা কমপিট্যান্ট উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলুন। দক্ষতা, নেটওয়ার্ক ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা—এই তিনটা জায়গা শক্ত হলে বাধাগুলোও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়। আর নতুন উদ্যোক্তাদের বলব, লক্ষ্য ঠিক হয়ে গেলে যত দ্রুত সম্ভব অ্যাকশন প্ল্যান সেট করে কাজ শুরু করুন। সবার আগে মার্কেট রিসার্চ করুন এবং যা নিয়ে কাজ করতে চান তার বর্তমান অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। একটু ফ্লেক্সিবল হতে হলেও পিছিয়ে যাবেন না। পরামর্শ থাকবে—প্রথমে অনলাইনে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে বিজনেস শুরু করুন।

ছোট করে শুরু করুন, মানের প্রশ্নে আপস করবেন না। উদ্যোক্তাকে ঝুঁকি নিতেই হবে, কিন্তু সেটা যেন পরিকল্পিত হয়। বাজারে টিকে থাকতে হলে শুধু সাহস নয়, হিসাবও দরকার।

পোশাক নিয়ে কাজ করা ছাড়া আর কি করেন

পেশার বাইরে আমার সবটুকু সময় যায় মেডিটেশন বা ধ্যানে। এর বাইরে মুভি দেখি, ঘুরতে পছন্দ করি, আর পড়ি। কোয়ান্টামের সঙ্গে যুক্ত থাকার ফলে বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্বে সময় দিই। লামায় দুস্থ মায়েদের জন্য সেন্টারে কাজ করি, প্রবীণ সেবার কার্যক্রমের সঙ্গেও আমি জড়িত।

সাফল্যের রহস্য…

আমার মূল কাজের কেন্দ্রবিন্দু লা রিভ, এখানেই আমার সবচেয়ে বড় কমিটমেন্ট। যখন ভালোবেসে কোনো কাজ করবেন, তখন কাজই আপনাকে কী করতে হবে, সেই রাস্তা দেখাবে। নিজের কাজ ও দায়িত্বের সঙ্গে সংযোগের জায়গাটাই লা রিভের সাফল্যের সবচেয়ে বড় রহস্য।

পছন্দের খাবার কী

মায়ের হাতের যেকোনো রান্না আমার ভীষণ প্রিয়; খিচুড়ির সঙ্গে গরুর মাংস… একটু বেগুন ভাজা হলে। ভেজিটেবল সতেঁ খাই প্রচুর। আলুভর্তা, ডাল, ডিমভাজি আর টাটকা গরম ভাতের স্বাদের আসলে তুলনা হয় না।

কেমন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন

‘ভালো মানুষ, ভালো দেশ, স্বর্গভূমি বাংলাদেশ’—এই বাক্যটা মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে যাই। আমি বিশ্বাস করি, একদিন বাংলাদেশ স্বর্গভূমি হবে। জনসংখ্যাকে আমাদের দেশে সমস্যা হিসেবে দেখা হয়; আমি মনে করি, এই মানুষই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। একটু গড়ে নিতে পারলে একদিন বাংলাদেশ সত্যিই স্বর্গভূমি হয়ে উঠতে পারবে। আমি এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি—যেখানে মানুষ নিজের কাজ ভালোবাসবে, অন্যের বিপদে সহায়তার হাত বাড়াবে, সহমর্মী হবে।

স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশের মানুষ একদিন মানবিকতার চর্চায় বিশ্বের শীর্ষে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা জরুরি

প্রকৃতি রক্ষায় সংগ্রামী ফাহমিদা

ত্যাগের মহিমায় শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা

কেমন কাটে তাদের জীবন ও ঈদ

কেমন কাটে গৃহিণীদের ঈদ

ঈদে নারীর ব্যস্ততা ও প্রস্তুতি

নীরব লুপাস রোগ : জটিলতা ও যত্ন

মাতৃত্ব ও পড়াশোনা

মায়ের স্নেহ, অক্লান্ত শ্রম ও সন্তানের দায়িত্ব

মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও স্মৃতিচারণা