জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিকে পুঁজি করে বাস মালিক সমিতির সরকার সমর্থিত প্রভাবশালী নেতারা অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সরকারের সাথে মিলে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, রাতের আধারে ভাড়া বৃদ্ধির গোপন বৈঠক এমন চক্রান্তের ইঙ্গিত দেয় বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
রোববার রাতে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন ও গণমাধ্যম এড়িয়ে বিআরটিএ সদর দপ্তরে গোপনে ভাড়া বৃদ্ধির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এমন অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, নিকট অতীতে ৩ দফা জ্বালানি তেলের মূল্য ৩ টাকা হারে কমানোর প্রেক্ষিতে বাস ভাড়া ৩ পয়সা হারে ভাড়া কমানো হয়েছে, ২ টাকা কমানোর প্রেক্ষিতে ২ পয়সা হারে ভাড়া কমানো হয়েছে। এবার প্রতিলিটার ডিজেলের মূল্য ১৫ টাকা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাস ভাড়া প্রতিকিলোমিটারে ১৫ পয়সা হারে বৃদ্ধির জন্য দেশের যাত্রীসাধারণের পক্ষ থেকে প্রস্তাব তুলে ধরেন। আমলাতন্ত্রকে ম্যানেজ করে এর অতিরিক্ত ভাড়া বৃদ্ধি করা হলে সরকারের জনপ্রিয়তায় কমবে, জনরোষ তৈরি হবে। তাই বাস মালিক সমিতিকে একচেটিয়া সুবিধা প্রদানের এহেন কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে সরকারের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।