আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনীতিকে সচল করাই আগামী সরকারের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার বিকেলে নিজের নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বাইরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অর্থনীতিকে সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা—দিইজ আর দ্যা চ্যালেঞ্জ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে বিজয়ী হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে আগামী সরকার গঠন করবে বিএনপি।
‘আনন্দময়-বিষাদময়’ অনুভূতি
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ফলাফল একদিকে আনন্দময়, অন্যদিকে বিষাদময়। আমাদের দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই অভূতপূর্ব বিজয় দেখতে পারলেন না—এটা বিষাদময়।
তিনি আরও বলেন, অনেক শত-হাজার রক্তের বিনিময়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে একটি চমৎকার, উৎসবমুখর ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ডেফিনিটলি অভিভূত ও মুগ্ধ। এই ধারাবাহিকতা যদি আমরা রাখতে পারি, তাহলে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হবে।
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের ব্যাপারে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে উঠে আসবে।"
বিমানবন্দর থেকে বিএনপি মহাসচিব গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিহউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
এসআর