হোম > জাতীয়

অন্তর্বর্তী সরকার শুরু করতে না পারলে বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের হবে

স্বাস্থ্য কমিশন প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা সভায় বক্তারা

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বাস্থ্য কমিশন গঠনসহ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে গঠিত স্বাস্থ্য সংস্কারবিষয়ক কমিটি যেসব সুপারিশ করেছে তার অনেকগুলো অন্তর্বর্তী সরকারকে বাস্তবায়ন করে যেতে হবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলেন, স্বাস্থ্যখাত নিয়ে এরকম কমিশন কখনো অতীতে হয়নি। কমিশনের কিছু সুপারিশ যেমন এ সরকারের পক্ষে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না, ঠিক একইভাবে অনেকগুলোই বাস্তবায়ন করতে পারে, সেটি না পারলে পরবর্তীতে রাজনৈতিক সরকার আসলে বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের হবে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সেমিনার রুমে আয়োজিত স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, কমিশনের সব সুপারিশ হয়তো এখনই বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। কিন্তু অনেকগুলো অন্তর্বর্তী সরকারকে বাস্তবায়ন করে যেতে হবে। রাজনৈতিক সরকার আসলে অনেকক্ষেত্রে তখন নাও হতে পারে, হলেও চ্যালেঞ্জের হবে।

কমিশনের সদস্য ডা. আবু মুহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে যেসব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার পুরোপুরি পরিবর্তন করতে হবে। সেখানে একজন ডাক্তার, দুজন নার্স, প্যারামেডিকস থাকতে হবে। আমাদের রেফারেল সিস্টেমের মূল কেন্দ্র হবে উপজেলা হাসপাতাল।

এজন্য উপজেলা পর্যায়ে জনস্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সেজন্য সরকারি হাসপাতালে বসে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী পাঠাতে পারবেন না চিকিৎসকেরা। একইসাথে প্রয়োজন ছাড়া ওষুধ দেয়া হচ্ছে কিনা সেটিরও তদারকির সুপারিশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কমিশনের সুপারিশে নারী ও শিশু স্বাস্থ্যে জোর দেয়া হয়েছে। আগামী দিনে রোগকে কেন্দ্র করে নয়, মানুষের স্বাস্থ্যকে কেন্দ্র কাজ করতে হবে। জীবনরক্ষকারী জরুরি প্রশিক্ষণ পুলিশকে দিতে হবে। যাতে দুর্ঘটনায় আহতদের তারা প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারেন।

সংস্কার কমিশনের আরেক সদস্য চিকিৎসা বিজ্ঞানী ড. লিয়াকত আলী বলেন, আমাদের মূল কাজ হলো কী কী আইন সংশোধন করতে হবে। আগে যেটি ছিল নীতিগত অধিকার ছিল, এখন তা সাংবিধানিক করা হচ্ছে। এটি কিভাবে হবে সেটি নিয়ে কাজ করা দরকার। কারণ, স্বাস্থ্য কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার কাজ নয়, এটার সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও জড়িত।

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণা সরকারের

ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবার পাবে ২৫০০ টাকা

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখতে হবে: ত্রাণমন্ত্রী

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল

প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীকে সন্ত্রাসমুক্ত করার ঘোষণা দুই প্রশাসকের

দুদকের ২৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি

তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে চীন

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা

বন্ধ শ্রমবাজার চালু করা সরকারের অগ্রাধিকার