হোম > জাতীয়

জাপানে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে ৭ হাজারের বেশি বাংলাদেশ পণ্য

বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ চুক্তির খসড়া অনুমোদন

আতিকুর রহমান নগরী

ছবি: সংগৃহীত।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। এতে দুই দেশের অনেক পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সই করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জাপান বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত আমদানির সুবিধা পাবে। বাংলাদেশও জাপানের কাছ থেকে ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা এস কে বসির উদ্দিন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ নিয়ে আলোচনার পর অন্তর্বর্তী সরকার চূড়ান্ত সমঝোতার কথা জানিয়েছে।

এই চুক্তির আওতায় সেবাখাতও আছে। বাংলাদেশ ৯৭টি সেবা খাত ও জাপান ১২০টি খাত খুলবে, যা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে।

একটি যৌথ পর্যবেক্ষণ ও অধ্যয়ন গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে এই আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর তারা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে ১৭টি খাতকে অন্তর্ভুক্ত করে ব্যাপক পরিকল্পনার সুপারিশ করা হয়।

বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের শেষে এই চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। আট দফা বৈঠক শেষে তা চূড়ান্ত হয়েছে।

২০২৪ সালের ১২ মার্চ আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। ঢাকায় প্রথম রাউন্ডের আলোচনা হয় ২০২৪ সালের মে মাসে। পরে আলোচনা কিছু সময়ের জন্য স্থগিত হয়ে পড়ে। এরপর ২০২৪ সালের নভেম্বরে আবার আলোচনা শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার।

পরবর্তী রাউন্ডগুলোর আলোচনা গত বছরের নভেম্বর থেকে এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় ও টোকিওতে হয়। শেষ রাউন্ডে টোকিওতে আলোচনা শেষ হয় এবং ইপিএ চূড়ান্ত হয়।

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণা সরকারের

ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবার পাবে ২৫০০ টাকা

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখতে হবে: ত্রাণমন্ত্রী

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল

প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীকে সন্ত্রাসমুক্ত করার ঘোষণা দুই প্রশাসকের

দুদকের ২৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি

তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে চীন

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা

বন্ধ শ্রমবাজার চালু করা সরকারের অগ্রাধিকার