হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

আমাদের পাঠ্যপুস্তক ও গার্ডনারের শিক্ষাতত্ত্ব

মোহাম্মদ শাহ্ আলম

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যবইয়ের মান, প্রাসঙ্গিকতা ও কার্যকারিতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে। প্রতিবছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী এসব বইয়ে মুখস্থবিদ্যায় অভ্যস্ত হয়, কিন্তু প্রকৃত জ্ঞান অর্জন ও প্রয়োগের দক্ষতা তাদের গড়ে ওঠে না।

বয়স ও দক্ষতার সঙ্গে অসংগতি

বইগুলো শিক্ষার্থীদের বয়স, জ্ঞানীয় দক্ষতা (cognitive skill) ও ভাষাগত বোধের (linguistic cognizance) উপযোগী নয়। অপ্রয়োজনীয় জটিল বাক্য ও ধারণা শিক্ষার্থীদের হতাশ করে এবং শেখার আগ্রহ নষ্ট করে। প্রাথমিক স্তরের বইয়ের ভাষাও প্রায় উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের, যা শিশুদের জন্য দুর্বোধ্য। উদাহরণস্বরূপ, তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ে ‘ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় ক্লোরোপ্লাস্টের ভূমিকা’ শিরোনামে অনুচ্ছেদ দেওয়া থাকলেও শিশু জানে না কোষ কী, ক্লোরোপ্লাস্ট কী। এর ফলে শিক্ষার্থীরা না বুঝেই মুখস্থ করে। এই অসংগতি ক্রমাগত বাড়তে থাকে এবং উচ্চতর ক্লাসে গিয়ে দাঁড়ায় বিমূর্ত ধারণার জটলায়, যা কিশোরমন হজম করতে পারে না।

মুখস্থবিদ্যা উপযোগী, সৃজনশীল নয়

বইগুলো প্রণীত রোট লার্নিং বা মুখস্থবিদ্যার ভিত্তিতে—ইন্টারঅ্যাকটিভ লার্নিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। ‘চিন্তা করো’, ‘বিশ্লেষণ করো’, ‘পরীক্ষা করো’—এর মতো শীর্ষক খুবই বিরল। বরং আছে ‘নিচের উত্তরগুলো লেখো’, ‘খালি ঘর পূরণ করো’। শিক্ষার্থীকে যন্ত্রণাদায়ক, একঘেয়ে ও নিরানন্দ অধ্যয়নে ব্যস্ত থাকতে হয়। ব্যয়িত সময় ও শ্রমের তুলনায় প্রকৃত শিখনফল নগণ্য। একটি পরীক্ষণে দেখা গেছে, একই অধ্যায় পড়ে শিক্ষার্থীরা মাত্র ১৫ শতাংশ বিষয় ধারণ করতে পারে অর্থপূর্ণভাবে, বাকিটা থাকে ক্ষণস্থায়ী স্মৃতিতে। পরীক্ষা শেষ হতেই তা উবে যায়। মুখস্থবিদ্যার এই সংস্কৃতি কখনোই উদ্ভাবক (innovator), সমালোচক (critical learner) এবং স্বাধীন চিন্তক (independent thinker) তৈরি করে না।

নিম্নমানের মুদ্রণ ও বিন্যাস

বইয়ের লেআউট ও ডিজাইন অত্যন্ত নিম্নমানের। হরফ এত ক্ষুদ্র যে পড়তে চোখের ওপর চাপ পড়ে। বিরতিহীন ও ক্লান্তিকরভাবে ঠাসা টেক্সট মনোযোগ ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব করে তোলে। দৃষ্টিনন্দন উপস্থাপনার অভাবে শেখার আগ্রহ আরো হ্রাস পায়। এখানে আন্তর্জাতিক উদাহরণ উল্লেখ করা জরুরি—উন্নত দেশের পাঠ্যবইয়ে রঙিন চিত্র, ইনফোগ্রাফিক, মার্জিনে টিপস, প্রশ্ন ও প্রয়োগের উদাহরণ থাকে অঢেল। সেখানে অর্ধেক পাতা টেক্সট, বাকি অর্ধেক দৃশ্যায়ন।

অপ্রশিক্ষিত লেখকমণ্ডলী

বইলেখকরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিশু ও কিশোরদের বৌদ্ধিক বিকাশ (cognitive development), ভাষিক দক্ষতা (linguistic cognizance) ও রচনাগত দক্ষতা সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নন। ফলে বইয়ের ভাষা ও প্রকাশরীতি শিক্ষার্থীর নাগালের বাইরে থেকে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা দশম শ্রেণির বই লিখতে গিয়ে ‘জটিল সংশ্লেষণ’, ‘উদ্ভট সমীকরণ’-জাতীয় বাক্য ব্যবহার করেন, অথচ একজন সাধারণ দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ‘সংশ্লেষণ’ শব্দের অর্থই বোঝে না। প্রশিক্ষণহীন লেখকমণ্ডলীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ কখনো শিক্ষণ মনোবিজ্ঞান, শিশু মনস্তত্ত্ব বা পাঠযোগ্যতা (readability), প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাদান (teaching) ও শিখন (learning) কলাকৌশলের প্রশিক্ষণ দেয় না, যে অপরিহার্য প্রশিক্ষণ হওয়ার কথা নিরন্তর ধারাক্রমিক গবেষণা ও পরিবীক্ষণের ভিত্তিতে।

হাওয়ার্ড গার্ডনারের শিক্ষাতত্ত্ব

গার্ডনারের একাধিক বুদ্ধিমত্তা (multiple intelligence) তত্ত্বের সঙ্গে লেখকরা একেবারেই অপরিচিত। ফলে শুধু ভাষাভিত্তিক একমুখী শিক্ষাপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়া হয়। চাক্ষুষ (Visual), শ্রবণ (Auditory), গতিশীল (Kinesthetic), সামাজিক (Interpersonal), একাকী (Intrapersonal), যৌক্তিক (Logical) বা প্রকৃতিভিত্তিক বুদ্ধিমত্তার শিক্ষার্থীদের জন্য বইয়ে কোনো পৃথক পন্থা নেই, অর্থাৎ সব ধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য বই হয় না। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একই ছাঁচে ফেলে পাঠ্যবই তৈরি হয়। যে শিক্ষার্থী ছবি দেখে বা হাতে-কলমে পরীক্ষা করে বুঝতে ভালোবাসে, তার জন্য বইয়ে নেই কোনো সহায়তা। গার্ডনারের তত্ত্ব চার দশকের পুরোনো, পৃথিবীব্যাপী পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষণ ও শিক্ষা কৌশলে (teaching and learning strategy) কেন্দ্রীয় তত্ত্ব বলে মেনে নেওয়া হয়েছে; এনসিটিবি যেন কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া পদ্ধতিতেই আটকে আছে।

দৃশ্য ও উদ্দীপকের ভূমিকা

স্নায়ুবিজ্ঞান ও শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের গবেষণা স্পষ্টভাবে বলে—মানবমস্তিষ্ক কেবল টেক্সট নয়, বরং ক্রিয়া বা কর্মকাণ্ড (action) ও দৃশ্য উদ্দীপক (visual stimuli) অনায়াসে এবং অতি দ্রুত স্মৃতিতে ধারণ করে। চোখের রেটিনা থেকে তথ্য মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা ও হিপোক্যাম্পাসে পৌঁছাতে মিলিসেকেন্ড সময় লাগে এবং মস্তিষ্ক দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে সক্ষম। অথচ একই তথ্য পাঠ্য আকারে পেতে কয়েকগুণ বেশি সময় ও প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। এর বিশাল অংশ আবার মস্তিষ্ক থেকে দ্রুত হারিয়ে যায়। আমাদের এনসিটিবির বইগুলো যেখানে ঘনাক্ষরযুক্ত বিরতিহীন টেক্সটে পূর্ণ, সেখানে আন্তর্জাতিক পাঠ্যবইগুলোয় থাকে রঙিন ডায়াগ্রাম, ইনফোগ্রাফিক, স্পট-দ্য-ডিফারেন্স বা মাইন্ড ম্যাপের মতো দৃশ্যায়ন। শুধু ‘ছবি যোগ করলেই হবে’ না, বরং প্রাসঙ্গিক ও কর্মমুখর দৃশ্য উদ্দীপকের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নিজেই ‘আস্থা’ অনুভব করে, যা মুখস্থের চেয়ে স্থায়ী জ্ঞান দেয়। এই সহজ সত্যটি উপেক্ষা করেই এনসিটিবির বই শিক্ষাকে প্রাণহীন ও যন্ত্রণাদায়ক করে রেখেছে।

তথ্যের বদলে মতামতের বোঝা

ইতিহাসের বইগুলোয় প্রকৃত তথ্যের চেয়ে লেখকদের ব্যক্তিগত মতামত ও ব্যাখ্যার আধিক্য বেশি। টানা বর্ণনামূলক রচনা শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পর্যালোচনা, যুক্তি ও মত গঠনের কোনো সুযোগ দেয় না। ইতিহাসের কোনো ঘটনার সেকেন্ডারি বা টারশিয়ারি সোর্স বিশ্লেষণের পরিবর্তে দেওয়া থাকে সমাপ্ত বক্তব্য (closing statement)। শিক্ষার্থী এই ইতিহাসকে শেষ সত্য হিসেবে আওড়াতে বাধ্য হয়, প্রশ্ন করতে শেখে না। অথচ ইতিহাস শিক্ষার উদ্দেশ্য উল্টো—শেখানো আবশ্যক কীভাবে উৎস যাচাই করতে হয়, কীভাবে একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটনা দেখতে হয়। আমাদের বইগুলো পাঠ্যকে পবিত্র গ্রন্থের মর্যাদা দেয়। এতে ইতিহাসচেতনা ও গবেষণামনোভাব সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়। শিক্ষার্থীরা বড় হয়ে ভাবে—ইতিহাস একমুখী সত্য, খোলা প্রশ্নের কোনো জায়গা নেই।

বিজ্ঞান ও বাস্তবজীবনের ব্যবধান

বিজ্ঞান বইয়ের বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের সঙ্গে প্রায় সম্পর্কহীন। কৃষি, স্বাস্থ্য, দূষণ, পানি বিশুদ্ধকরণ, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি—এসব মৌলিক ক্ষেত্র উপেক্ষিত থাকে। শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো করলেও নিজের চারপাশের বিজ্ঞান বুঝতে ব্যর্থ হয়। ঢাকা শহরে দূষণের মাত্রা ভয়াবহ, কিন্তু মাধ্যমিকের রসায়ন বা পরিবেশ বিজ্ঞানের বইতে ‘পিএম ২.৫’ বা ‘এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স’ নিয়ে কোনো উল্লেখ নেই। কীভাবে মশার কয়েলে বা রান্নার ধোঁয়ায় ক্যানসারজনিত উপাদান তৈরি হয়—এসব কিছু নেই; বরং আছে অপ্রাসঙ্গিক অণু-পরমাণুর অতিরঞ্জিত আলোচনা। বিজ্ঞান শুধু পরীক্ষার বিষয় হয়ে থাকে, জীবনপদ্ধতি নয়। ফলে প্রকৌশল ও মেডিকেলে পড়ে শিক্ষার্থীরা বাস্তব দূষণ বা খাদ্যসমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয় না, বরং চাকরির পেছনে ছোটে। নিজের স্বাস্থ্যরক্ষা ও স্বাস্থ্যনিরাপত্তার ব্যাপারেও সচেতন হয়ে উঠতে পারে না।

রসায়ন ও জাতীয় খাদ্য সংকট

রসায়নের বইয়ে উন্নততর বিষয় থাকলেও বাংলাদেশের সবচেয়ে জটিল সংকট—খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনে ভয়াবহ অনিরাপত্তা এক্ষেত্রে প্রায় উপেক্ষিত। কীটনাশকের অপব্যবহার, সংরক্ষণে অননুমোদিত রাসায়নিক (ফরমালিন, কার্বাইড), ভেজালের গঠন, খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর ধাতুর (সিসা, ক্যাডমিয়াম) উপস্থিতি—এসব বাস্তব সমস্যা শিক্ষার্থীদের শেখানো হয় না। অথচ বাংলাদেশের জাতীয় সংকট নিরাপদ খাদ্য; অর্থাৎ আমরা যা খাই, ক্ষেতের শস্য, বাজারে সবজি, মাছ, মুরগি ও ফল কতটা বিষমুক্ত? রসায়ন বইয়ের অধ্যায় ‘খাদ্যে ভেজাল’ নামে থাকলেও তাতে থাকে পুরোনো ও কাঠামোগত আলোচনা, বর্তমান সময়ের নির্দিষ্ট ভেজাল শনাক্তের সহজ কৌশল নেই। ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষায় অপ্রস্তুত। মেডিকেল বা কৃষি শিক্ষার্থীরাও এ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পায় না, কারণ পাঠ্যবইয়ে সে উদ্যোগ নেই।

মূল্যায়নপদ্ধতির সঙ্গে অসংগতি

মারাত্মক এক ত্রুটি হলো পাঠ্যবই ও পরীক্ষার প্রশ্নের মধ্যে অমিল। বইয়ে কোনো বিষয় শুধু বর্ণনায় বলা আছে, অথচ পরীক্ষায় আসে বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন। আবার বইয়ে শত শত পৃষ্ঠা মুখস্থ করালেও পরীক্ষার প্রশ্ন হয় সংকীর্ণ পরিধিতে। আবার দেখা যায়, বইয়ে কোনো একটি বিষয়ে কোনো আলোচনা ও তথ্য নেই; কিন্তু সেই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের তথ্যবহুল বিস্তারিত আলোচনা চাওয়া হয়। বইয়ের ভাষা ও প্রশ্নের ভাষাও প্রায়ই ভিন্ন মাত্রার হয়—বই সহজ কিন্তু প্রশ্ন কঠিন, অথবা উল্টোটা। এই অসংগতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রিক উদ্বেগ আরো বাড়িয়ে দেয়।

সুপারিশ

এনসিটিবির পাঠ্যবইগুলোর শুধু সংশোধন নয়, আমূল পুনর্লিখন ও পুনঃরূপায়ন প্রয়োজন। বর্তমান বইগুলো যেন একেকটি ‘কাঠের গুঁড়ি’, যা শিক্ষার্থী মাথায় বয়ে বেড়ায়, কিন্তু তা থেকে জ্ঞানের আগুন জ্বলে না। আমরা নিচে কয়েকটি সুপারিশ করছি—

ক. প্রশিক্ষিত ও বহুবিদ লেখক দল : শিক্ষার্থীদের ভাষা ও বোধ জানেন এমন মানুষ, প্রয়োজনে শিশুসাহিত্যিক, শিক্ষক ও মনোবিজ্ঞানীদের নিয়ে বই লিখতে হবে।

খ. গার্ডনারের তত্ত্ব বাস্তবায়ন : প্রতিটি অধ্যায়ে যদ্দূর সম্ভব একাধিক বুদ্ধিমত্তা সক্রিয়কারী উপকরণ (ছবি, গান, গল্প, পরীক্ষণ, জোড়ায় আলোচনা) অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

গ. হাতে-কলমে শিক্ষা সংযোজন : প্রতিটি বিষয়ের ব্যবহারিক ও প্রয়োগমূলক অংশ বাড়াতে হবে; বিজ্ঞান ও রসায়নের বইতে খাদ্যনিরাপত্তার মতো জ্বলন্ত সমস্যা যুক্ত করতে হবে।

ঘ. ইতিহাসের উন্মুক্ত পর্যালোচনা : একাধিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গঠনের সুযোগ দিতে হবে।

ঙ. অত্যাধুনিক টাইপোগ্রাফি ও ডিজাইন : হরফ বড় করতে হবে এবং পর্যাপ্ত সাদা জায়গা, রঙিন চিত্র ও উদাহরণ সংযোজন করতে হবে।

অন্যথায় শিক্ষার পণ্য হিসেবে আমরা পাব এমন প্রজন্ম, যারা মুখস্থবিদ্যায় কৃতী, কিন্তু বিশ্লেষণ ও সৃজনশীলতায় দুর্বল—বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধান করতে অক্ষম। শিক্ষার অধিকার অর্থ মানসম্পন্ন শিক্ষার অধিকার, যা আজ এনসিটিবি বইয়ের ক্ষেত্রে লঙ্ঘিত হচ্ছে। এখনই সংস্কার জরুরি, নইলে জাতীয় বিপর্যয়ের যাত্রা অব্যাহত গতিতে চলতে থাকবে।

লেখক : শিক্ষাবিদ, লন্ডন

alam.ibnriaz@gmail.com

বাজেটে অবহেলিত কৃষি

ছায়া উপনিবেশ ফিরে পেতে আগ্রাসী প্রতিবেশী

অনন্য দৃষ্টান্তে বাংলাদেশ

অপপ্রচার, ফ্যাসিবাদ ও ইতিহাসের সতর্কবার্তা

অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন ও বাংলাদেশের পরিণতি

জনগণের মিলিত সংগ্রাম, আদি পর্ব

জাতি গঠনের এক নীরব স্থপতি

বৈষম্য নিরসন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে জাকাত

মিয়ানমার নীতিতে ভারতের ভুল কৌশল

গলিত লাশ ও ফলিত শিক্ষা