হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার ইঙ্গিতের অর্থ কী

প্রফেসর ড. মো. ফখরুল ইসলাম

সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার বিতর্ক উসকে দিয়েছেন ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে। এই বক্তব্য কেউ রসিকতা হিসেবে দেখলেও, অনেকেই এটিকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করছেন। বিশেষ করে, তথাকথিত সভ্য বা মূলধারার আমেরিকানদের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত মার্চ ২০২৬-এ, যখন ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেনেজুয়েলার সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করেন। এই হঠকারী মন্তব্য ট্রাম্পের জন্য নতুন কিছু ব্যাপার নয়। এটি তার দীর্ঘদিনের বিস্তৃত ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিরই অংশ, যেখানে তিনি গ্রিনল্যান্ড, কানাডা কিংবা কিউবার মতো অঞ্চল নিয়েও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ ধারণা নিয়ে সাধারণ মানুষ কী ভাবছেন অথবা আমেরিকার মূলধারার সমাজ, বুদ্ধিজীবী এবং নীতিনির্ধারকরা কী ভাবছেন? সাধারণ মানুষ কৌতুক করে নানা কথা বলা শুরু করে দিয়েছেন। যেমন : আমাদের দেশের অনেকেই বলছেন, এই সিরিয়ালে ৫১ নম্বরে হচ্ছে ভেনেজুয়েলা, ৫২ নম্বরে গ্রিনল্যান্ড, ৫৩ নম্বরে কিউবা, ৫৪ নম্বরে সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড ইত্যাদি। কেউ বলছেন, ‘ভেনেজুয়েলানদের কষ্ট করে আমেরিকায় যেতে হবে না, মিস্টার ট্রাম্প।’ আবার কেউ কেউ বলেছেন, বিশ্বের সুপারপাওয়ার এখন অন্য দেশের সাহায্য চায়, কিন্তু ইরান কারো কাছে সাহায্য চায় না। আমেরিকার সুপারপাওয়ারগিরি এক ইরানের হাতেই ধ্বংস-ইত্যাদি।

তবে, আমেরিকা ও বিভিন্ন দেশের মূলধারার সমাজ, বুদ্ধিজীবী এবং নীতিনির্ধারকরা কী ভাবছেন তা একটু বিশ্লেষণ করা যাক। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাজনৈতিকবিশ্লেষক এবং নীতিবিদ এই ধারণাকে সরাসরি অবাস্তব এবং বিপজ্জনক বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে অঙ্গরাজ্যে রূপান্তরের ধারণা ১৯০০ শতকের সাম্রাজ্যবাদী চিন্তার প্রতিফলন, যা বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। জাতিসংঘের চার্টার অনুযায়ী কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। এই যুক্তিও বারবার উঠে এসেছে।

দ্বিতীয়ত, মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই প্রস্তাবকে অনেকেই সাংবিধানিকভাবে অসম্ভব বলে মনে করেন। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন অঙ্গরাজ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট জনগণের সম্মতি প্রয়োজন। অথচ ভেনেজুয়েলার মতো একটি দেশের ক্ষেত্রে এটি শুধু জটিল নয়, প্রায় অসম্ভব। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অঞ্চল পুর্তেরিকোকেও অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার প্রশ্ন বহু বছর ধরে ঝুলে আছে।

তৃতীয়ত, অনেক সভ্য আমেরিকান অর্থাৎ উদারপন্থি রাজনীতিক, একাডেমিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এই মন্তব্যকে নৈতিকভাবে সমস্যাজনক বলে দেখছেন। তাদের মতে, এটি একটি বিপজ্জনক দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে অন্য দেশের জনগণকে স্বাধীনসত্তা হিসেবে না দেখে একটি ভূখণ্ড বা সম্পদ হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে, ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলসম্পদের প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য আরো প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে।

এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপ এবং নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনাও গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিযানের পর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল যে তারা দেশটির তেল অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করবে এবং এক ধরনের তত্ত্বাবধায়ক ভূমিকা পালন করবে। সমালোচকদের মতে, এই প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলাকে অঙ্গরাজ্যে রূপান্তরের কথা বলা মূলত অর্থনৈতিক স্বার্থকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা।

চতুর্থত, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রক্ষণশীল নাগরিকও এই ধারণার প্রতি সমর্থন দেননি। যদিও ট্রাম্পের সমর্থক গোষ্ঠীর একটি অংশ তার শক্তিশালী নেতৃত্ব ও আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন করে, তবু একটি বিদেশি দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করে নেওয়ার ধারণা তাদের কাছেও অস্বস্তিকর। কারণ এটি আমেরিকা ফার্স্টনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যেখানে বিদেশে জড়িত হওয়ার পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়।

পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এই বক্তব্য নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। লাতিন আমেরিকার দেশগুলো ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে সংবেদনশীল। ট্রাম্পের এই মন্তব্য তাদের মধ্যে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র আবার ‘মনরো ডকট্রিন’ ধাঁচের আধিপত্যবাদী নীতি অনুসরণ করতে পারে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অনেক আমেরিকান বিশ্লেষক এই বক্তব্যকে সরাসরি নীতি হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক ভাষা বা ‘রেটোরিক’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তাদের মতে, ট্রাম্প প্রায়ই এমন মন্তব্য করেন, যা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার জন্য। এই ক্ষেত্রে বার্তাটি হতে পারে যে, যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম গোলার্ধে তার প্রভাব আরো জোরদার করতে চায়।

তবে এই ব্যাখ্যা সত্ত্বেও উদ্বেগ কমছে না। কারণ ইতিহাস বলছে, অনেক সময় এমন রসিকতা বা ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যই ভবিষ্যতের নীতির ভিত্তি তৈরি করে। ফলে অনেকেই এটিকে হালকাভাবে নিতে নারাজ।

সভ্য আমেরিকানদের আরেকটি বড় উদ্বেগ হলো, এ ধরনের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। একটি দেশ, যা নিজেকে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে, তার পক্ষ থেকে অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে এমন মন্তব্য বৈপরীত্য তৈরি করে। এতে মিত্রদেশগুলোর আস্থাও কমে যেতে পারে।

সবশেষে বলা যায়, ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার ট্রাম্পের ইঙ্গিত বাস্তবতার চেয়ে অনেক বেশি প্রতীকী ও বিতর্ক সৃষ্টিকারী। যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সমাজ, বিশেষ করে যারা নিজেদের সভ্য বা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী বলে মনে করেন, তারা এই ধারণাকে সমর্থন না করে বরং সমালোচনা করছেন। তাদের দৃষ্টিতে, এটি শুধু অবাস্তব নয়; বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

এই বিতর্ক আমাদের একটি বড় শিক্ষা দেয়। আর সেটা হলো, বিশ্ব যতই পরিবর্তিত হোক, সার্বভৌমত্ব, কূটনীতি এবং পারস্পরিক সম্মানের বিকল্প নেই। শক্তির প্রদর্শন কিংবা আধিপত্যের ভাষা হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে তা বিশ্বব্যবস্থাকে আরো অস্থির করে তোলে।

ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য ঘোষণার ইচ্ছা ট্রাম্প কি আসলেই বাস্তবায়ন করতে পারবেন-এমন প্রশ্ন এখন বিশ্লেষকদের মাথায় দোলা দিচ্ছে। আসলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মাঝেমধ্যে এমন কিছু প্রস্তাব বা বক্তব্য সামনে আসে, যা প্রথমে অবাস্তব কিংবা কৌতুকপূর্ণ বলে মনে হলেও তার ভেতরে লুকিয়ে থাকে গভীর কৌশলগত ইঙ্গিত। সম্প্রতি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে দেখার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য তেমনই এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও এটি এখনো বাস্তব কোনো নীতিগত প্রস্তাব নয়, তবু প্রশ্ন উঠেছে, এ ধরনের চিন্তা থেকে যুক্তরাষ্ট্র বা ট্রাম্প কী ধরনের লাভের হিসাব কষতে পারেন? আর আদৌ কি তা বাস্তবসম্মত?

একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যে পরিণত করা শুধু রাজনৈতিক ইচ্ছার বিষয় নয়। এটি একটি জটিল সাংবিধানিক, আন্তর্জাতিক এবং সামরিক প্রক্রিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী নতুন অঙ্গরাজ্য যুক্ত করতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট ভূখণ্ডের জনগণের সম্মতি অপরিহার্য। অতীতে পুর্তেরিকো বা ওয়াশিংটন ডিসিকে অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার প্রশ্নই এখনো বিতর্কিত, সেখানে একটি সার্বভৌম দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রায় অকল্পনীয়।

তবু কেন ভেনেজুয়েলা? এর উত্তর খুঁজতে হলে দেশটির ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বুঝতে হবে। ভেনেজুয়েলা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেলসমৃদ্ধ দেশ। বিশাল প্রমাণিত তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে বিপর্যস্ত। যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই তেল সম্পদের ওপর সরাসরি বা পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ একটি বড় কৌশলগত সুবিধা হতে পারে।

তবে এই ধারণার বড় বাধা হলো আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে জোরপূর্বক বা চাপ প্রয়োগ করে অন্য দেশের অংশে পরিণত করা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এমন কোনো উদ্যোগ বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও বিষয়টি সহজ নয়। ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি বর্তমানে গভীর সংকটে রয়েছে হাইপারইনফ্লেশন, বেকারত্ব, অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং মানবিক সংকট সেখানে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। যদি যুক্তরাষ্ট্র এই দেশকে অঙ্গরাজ্যে পরিণত করে, তবে তার পুনর্গঠনে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে। এটি মার্কিন করদাতাদের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে, যা রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও এই একীভবন চ্যালেঞ্জিং। ভাষা, সংস্কৃতি, প্রশাসনিক কাঠামো-সবকিছুতেই বড় পার্থক্য রয়েছে। ভেনেজুয়েলার জনগণ আদৌ এমন প্রস্তাব মেনে নেবে কি না-সেটিও বড় প্রশ্ন। ইতিহাস বলছে, জাতীয় পরিচয় ও স্বাধীনতার প্রশ্নে জনগণ সাধারণত আপসহীন থাকে।

বরং এই আলোচনার মধ্য দিয়ে যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, তা হলো-বর্তমান বিশ্বে শক্তি প্রয়োগ বা ভূখণ্ড দখলের পুরোনো ধারণা ক্রমেই অচল হয়ে যাচ্ছে। মানুষে এসব উক্তিকে পাত্তা দেয় না, কৌতুক করে। তারা বলে, ‘তাহলে ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে কততম রাজ্য করবেন জানালে খুশি হতাম। ইরান আর সিরিয়া কততম রাজ্য হবে? নিউ ইয়র্কে বহু বাংলাদেশি বসবাস করে। তাই নিউ ইয়র্ককে বাংলাদেশের একটি প্রদেশ ঘোষণা করা হলে বাংলাদেশিদের আর আমেরিকা যাওয়ার জন্য চিন্তা করতে হবে না।’

এসব নানা মন্তব্য শুনে মনে হচ্ছে, কে ভাঁড় আর তার ভাঁড়িতে আরো কী কী রয়েছে! তাই বিশ্বশান্তির জন্য মাৎস্যন্যায় নীতির পরিবর্তে কূটনীতি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেওয়াই সময়ের দাবি। ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের জন্য সেটিই হবে সবচেয়ে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত পথ।

লেখক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন E-mail: fakrul@ru.ac.bd

পাঠ্যবইয়ে যেভাবে ফিরলেন শহীদ জিয়াউর রহমান

সিভিল সোসাইটি ও আমলাতন্ত্রের দ্বন্দ্ব

সংস্কার ইস্যুতে তালগোল ও রাবণ হওয়ার ঝুঁকি

প্লাস্টিকদূষণের কবলে বাংলাদেশ

ইরান যুদ্ধ তুরস্কের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ

গণভোট ও নৈতিক সংকট

ব্যাংক খাতে কেন নারী কর্মী কমছে

কেন এত যুদ্ধব্যয়

ন্যাটোতেও ভাঙন ধরাচ্ছে ইরান যুদ্ধ

মফস্বল সাংবাদিকতার সংকট