২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের ছাত্র নেতৃত্বাধীন এই গণঅভ্যুত্থানকে স্রেফ ‘সাফল্য’ বা ‘ব্যর্থতা’র মোড়কে বিচার করার যে প্রবণতা, তা আসলে এর পেছনের গভীরতর সত্যকে আড়াল করে দেয়। নিঃসন্দেহে এটি ছিল ইতিহাসের এক অমোঘ সন্ধিক্ষণ, যা সর্বগ্রাসী সরকারের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রকে নতুনভাবে সাজিয়ে দিয়েছে। সাফল্যের দুই বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এখন সেই নিদারুণ প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার পালা—যে আন্দোলনের নৈতিক তেজে রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছিল, সেই অগ্নিঝরা জনসমর্থনকে কেন এখনো একটি সুসংহত ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক প্রভাবে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি?
বর্তমান সময়কে অনুধাবনের জন্য স্রেফ জয়-পরাজয়ের দ্বৈরথ নয়, বরং তুলনামূলক বিশ্লেষণের আশ্রয় নেওয়া প্রয়োজন। পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালের যুব আন্দোলনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করলে এমন কিছু মৌলিক পার্থক্য নজরে আসে, যা আমাদের জন্য যেমন দিকনির্দেশক, তেমনি ভাবনার খোরাক। দুর্নীতির গভীর বিস্তার, চরম নৃশংসতা এবং দেশজুড়ে তরুণদের কর্মসংস্থানহীনতা—এই সবকিছুর এক বিস্ফোরক মিশ্রণই ছিল বাংলাদেশের এই গণঅভ্যুত্থানের মূল চালিকাশক্তি। প্রতিবাদ যখন শুরু হয়, তখন তা অবিশ্বাস্য গতিতে ছড়িয়ে পড়ে, যার নেপথ্যে ছিল ছাত্রদের স্বয়ংক্রিয় যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের নিরবচ্ছিন্ন সংহতি। এরপর যা ঘটেছিল তা ছিল অভাবনীয়; পৃথিবীর খুব কম তরুণসমাজই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন আমূল পরিবর্তনের সূচনা করতে সক্ষম হয়েছে।
এর বিপরীতে নেপালের তরুণদের রাজনীতি ছিল তুলনামূলকভাবে কম নাটকীয় এবং মেজাজের দিক থেকে তা অনেক কম বিপ্লবী। তবে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপগুলোতে—যেখানে কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে তারা অনেক বেশি সফল হয়েছে। তারা দৃশ্যত অধিকতর স্থায়ী একটি লক্ষ্য অর্জন করেছে; আর তা হলো, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভেতরে প্রবেশ এবং সেখানে প্রভাব বিস্তার।
কেন বাংলাদেশের অভ্যুত্থানকে একটি ‘ব্যর্থতা’ বলে মনে হচ্ছে?
ক্ষমতাকে উৎখাত করা আর সেই ক্ষমতার কাঠামোকে রূপান্তর করা—দুটি এক জিনিস নয়। অভ্যুত্থান-পরবর্তী মাসগুলোয় এই আন্দোলনের ভেতরের গভীর কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে। বিপুল উদ্দীপনা ও জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও, ছাত্রনেতৃত্বাধীন জোটটি আন্দোলন থেকে রাজনীতিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে হোঁচট খায়। এর নেপথ্যে থাকা কারণগুলো নিম্নরূপ—
ক. দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা : আন্দোলনকারীরা রাজপথের জনসমর্থন আদায় করতে পারলেও সেই জনস্রোতকে একটি মজবুত রাজনৈতিক কাঠামোর রূপ দিতে গিয়ে বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে তরুণদের সেই রাজনৈতিক দলটি মোটেও সুবিধা করতে পারেনি; নামমাত্র কয়েকটি আসনে জয় পেয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ভঙ্গুর সংগঠন, অস্পষ্ট লক্ষ্য আর আন্দোলনের সম্মুখসারির অনেক নেতার অনুপস্থিতিই ছিল তাদের এই বিপর্যয়ের মূল কারণ। এখানে বার্তাটি হলো, রাজপথ কাঁপানো জনস্রোত আর প্রশাসনিক দক্ষতা—এক কথা নয়।
খ. এলিট শ্রেণির নিয়ন্ত্রণ ও পুরোনো ধারার প্রত্যাবর্তন : প্রতিষ্ঠিত দলগুলো (যেমন বিএনপি) দ্রুত নিজেদের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। ফলে শাসন পরিবর্তন হলেও ব্যবস্থাগত রূপান্তর ঘটেনি। তাছাড়া নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো সেই সফলতার ওপর এক বিশাল প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গ. কাঠামোগত ক্ষোভের অমীমাংসিত সমীকরণ : এই অভ্যুত্থানের মূলে ছিল যুব বেকারত্ব, বৈষম্য, ‘কর্মসংস্থানহীনতার ঊর্ধ্বমুখী গতি’, দুর্নীতি এবং সহিংসতা, যেগুলোর কোনো লক্ষণীয় পরিবর্তন নেই। অধিকাংশ তরুণ-তরুণীর জন্য বাস্তব জীবনের পরিস্থিতির খুব সামান্যই পরিবর্তন হয়েছে।
ঘ. সহিংসতা ও অস্থিরতার চড়া মূল্য : কঠোর দমন-পীড়ন, বিপুল প্রাণহানি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকর শাসনে ব্যর্থতা আন্দোলনের ঐক্য দুর্বল করে দেয়। সারকথা হলো, গণতন্ত্রের বিজয় নিশান ওড়ানো, আর সেই বিজয়কে টেকসই ও সুশৃঙ্খল শাসনের কাঠামোতে রূপদান করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
ঙ. অনুভূমিক কিন্তু ভঙ্গুর নেতৃত্ব : জেন-জি’র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নেতৃত্ব আন্দোলন বেগবান করতে পারলেও রাজনীতির দীর্ঘ ও পিচ্ছিল পথ পাড়ি দেওয়ার সক্ষমতা দেখাতে পারেনি। রাজপথের লড়াইয়ে যা ছিল শক্তি, টেবিলের আলোচনায় সেই সমন্বয়হীনতা আর পরিকল্পনার অভাবই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের একার নয়, বরং ইতিহাসেরই অংশ। সমাজতত্ত্বের ভাষায় একে ‘মোবিলাইজেশন ট্র্যাপ’ বা ‘সংহতির ফাঁদ’ বলা হয়। এর মূল কথা হলো—যে স্বতঃস্ফূর্ততা ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা শক্তি নিয়ে আন্দোলন সফল হয়, সেই একই শক্তি দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা বা নতুন প্রতিষ্ঠান গড়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই ফারাকটিই আন্দোলনের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে।
নেপাল প্রসঙ্গ : সীমিত লক্ষ্য কিন্তু প্রভাব অনেক গভীর
নেপালের সাম্প্রতিক যুব আন্দোলনগুলোর দিকে তাকালে বাংলাদেশের সঙ্গে এক বড় পার্থক্য চোখে পড়ে। কেন তারা বেশি সফল হতে পারল?
ক. রাজনৈতিক মূলধারায় সম্পৃক্ততা : নেপালের যুব আন্দোলনগুলো শুধু প্রতিবাদের ভাষা হয়ে থাকেনি, তারা ভোটের রাজনীতি আর সরকারি কাঠামোর সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করেছে। বিরোধিতার বদলে তারা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় নিজেদের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছে।
খ. ধীর সংস্কার, স্থিতিশীল রূপান্তর : হঠাৎ আমূল পরিবর্তনের চেয়ে নেপাল ধাপে ধাপে সংস্কারের পথ বেছে নিয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতির মনে হতে পারে, কিন্তু এটি রাজনৈতিকভাবে অনেক বেশি স্থিতিশীল।
গ. রাজনৈতিক সুযোগের কাঠামো : নেপালের অপেক্ষাকৃত উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তরুণ কর্মীদের জন্য এমন কিছু প্রবেশের পথ তৈরি করে দিয়েছিল, যা বাংলাদেশের সংকীর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে একেবারেই অনুপস্থিত ছিল।
ঘ. কৌশলগত জোটবদ্ধতা : নেপালি তরুণরা কেবল একক শক্তিতে বিশ্বাস না করে বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারবাদী শক্তির সঙ্গে সেতুবন্ধ তৈরি করেছে। এ ধরনের মোর্চা গঠনের ফলে তাদের আন্দোলন জনবিচ্ছিন্নতা এড়াতে পেরেছে এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।
সারকথা হলো, বাংলাদেশের ‘বিপ্লবী উত্থান’ মডেল বিজয়ের পর সংহতি ধরে রাখার সংকটে পড়েছে। অন্যদিকে নেপালের ‘শিকড়বদ্ধ সংস্কার’ মডেলটি ততটা নাটকীয় না হলেও রাজপথের প্রতিবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতি ও প্রতিনিধিত্বে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রকে বাইরে থেকে ধাক্কা দেওয়ার চেয়ে ভেতরে ঢুকে একে মেরামত করাই বেশি কার্যকর কৌশল।
এক অবরুদ্ধ রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের এই অভ্যুত্থান দানা বেঁধেছিল। যখন সংস্কারের পথ রুদ্ধ থাকে, তখন গণআন্দোলনগুলো অনিবার্যভাবেই এক চূড়ান্ত ভাঙনের দিকে এগিয়ে যায়। তবে ছাত্র আন্দোলনের যে ‘নেতৃত্বহীন’ কাঠামো রাজপথে তাদের জয়ী করেছিল, বিপ্লব-পরবর্তী জটিল রাজনীতিতে বৃহত্তর জোট গড়ার ক্ষেত্রে সেই কাঠামোটিই তাদের সবচেয়ে দুর্বল জায়গায় পরিণত হয়েছে।
এর বিপরীতে নেপালের অপেক্ষাকৃত বহুমাত্রিক বা বহুত্ববাদী ব্যবস্থা একটি ধীর কিন্তু স্থিতিশীল পথ তৈরি করে দিয়েছে। সেখানে যুব আন্দোলনগুলো নিজেদের কেবল ব্যবস্থার বাইরে রাখেনি, বরং সুশাসন ও দুর্নীতিবিরোধী বৃহত্তর কর্মসূচির সঙ্গে একাত্ম হয়েছে। তারা প্রচলিত কাঠামোর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে তার ভেতরে ঢুকে নিজেদের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছে।
বাংলাদেশের জন্য সতর্ক আশাবাদ
এখানে নেপালকে মহিমান্বিত করা কিংবা বাংলাদেশের ত্যাগকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। বরং আধুনিককালের প্রতিটি গণআন্দোলন যে অনিবার্য দ্বান্দ্বিকতার মুখোমুখি হয়, এটি তারই এক নির্মোহ বিশ্লেষণ।
বাংলাদেশের যুবসমাজ দেখিয়ে দিয়েছে যে তারা অন্যায়ের ভিত উপড়ে ফেলতে জানে। আন্দোলনের সেই গৌরবময় পর্ব আমরা অতিক্রম করেছি। তবে এর চেয়েও দুরূহ কাজ এখন আমাদের সামনে অপেক্ষমাণ—ধ্বংসস্তূপের ওপর নতুন এক রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণ করা।
এর জন্য প্রয়োজন এক নতুন মানসিকতা এবং ভিন্ন ধরনের দক্ষতা। এখন স্বতঃস্ফূর্ততার জায়গায় আসতে হবে সুশৃঙ্খল সংগঠন। প্রতিবাদের পাশাপাশি হাতে নিতে হবে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি। নেতৃত্ব—যা কি না পিরামিড-সদৃশ পদসোপানে অনভ্যস্ত এই প্রজন্মের কাছে কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে—তাকে এখন একটি সুনির্দিষ্ট রূপ দিতেই হবে। এই পরিবর্তনগুলো আনা সম্ভব না হলে কেবল রাজনৈতিক প্রান্তিকীকরণই ঘটবে না, বরং আন্দোলনের মূল আদর্শগুলোও ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে। তবুও সতর্ক আশাবাদের যথেষ্ট কারণ আছে। এই অভ্যুত্থান ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক চেতনাকে বদলে দিয়েছে। এটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার বিভ্রম ভেঙে দিয়েছে। এটি প্রমাণ করেছে, তরুণদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা যায় না। এটি পুরো একটি প্রজন্মকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, সম্মিলিত পদক্ষেপ এখনো শক্তিশালী।
এখনকার আসল চ্যালেঞ্জ হলো—সেই অর্জিত সচেতনতাকে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতায় রূপান্তর করা। চব্বিশের অভ্যুত্থান যদি হয়ে থাকে প্রচলিত ব্যবস্থার ‘বিপর্যয়’ বা ভাঙনের প্রতীক, তবে পরবর্তী ধাপটি হতে হবে সেই শক্তিকে ‘সংহত’ করার। নেপালের অভিজ্ঞতা আমাদের বলে যে এই রূপান্তর সম্ভব—তবে সেজন্য প্রয়োজন অসীম ধৈর্য, সুদূরপ্রসারী কৌশল এবং সেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগতভাবে যুক্ত হওয়ার মানসিকতা, যাদের রাজপথের আন্দোলনকারীরা সহজাতভাবেই অবিশ্বাস করে। আমাদের ভবিষ্যৎ কান্ডারিদের মনে রাখতে হবে, জাতীয় প্রগতি সেসব জনপদে রুদ্ধ হয়ে যায়, যেখানে দেশপ্রেম, কর্মদক্ষতা ও সততার সমন্বয় এক দুর্লভ বিষয়; আর যদি ভিন্নমত মানেই হয় শত্রুতা, তবে সেখানে গণতন্ত্র বা প্রগতি—কোনোটাই টেকসই হয় না।
ইতিহাসের পাতায় স্বচ্ছ ও নিখুঁত বিজয়ের উদাহরণ বিরল। ইতিহাস বরং আমাদের সামনে কিছু সম্ভাবনাময় মুহূর্ত হাজির করে, যার অনুগামী হয় ভবিষ্যৎ নির্মাণের এক দীর্ঘ ও দোদুল্যমান লড়াই। বাংলাদেশ বর্তমানে সেই অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। এই অভ্যুত্থানের আসল মূল্যায়ন কেবল পুরোনো ব্যবস্থার বিনাশ দিয়ে হবে না, বরং নতুন কোনো টেকসই ব্যবস্থা বিনির্মাণেই এর চূড়ান্ত বিচার হবে।
বাংলাদেশের এই গণঅভ্যুত্থানকে ব্যর্থ বলাটা হবে এর বিশাল অর্জনকে অস্বীকার করার শামিল; কেননা এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম প্রভাবশালী ও সুদূরপ্রসারী যুববিদ্রোহ। অন্যদিকে নেপালকে সফল বলার ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন; কারণ তাদের সাফল্য আমূল কোনো পরিবর্তনের ফল নয়, বরং এটি ধারাবাহিক প্রভাব বিস্তারের ফসল। তাই আসল পার্থক্যটা ‘সাফল্য বনাম ব্যর্থতা’র নয়; বরং তা হলো ‘বিপর্যয় বনাম সংহতি’ এবং ‘আন্দোলন বনাম প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ’-এর। বাংলাদেশের যুব আন্দোলনের ভবিষ্যৎ এখন নির্ভর করবে তারা এই কঠিন কিন্তু অপরিহার্য উত্তরণটি ঘটাতে পারে কি না, তার ওপর।
লেখক : ব্রিটিশ বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, গ্রন্থকার ও প্যারেনটিং কনসালট্যান্ট