হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

চার দিনের যুদ্ধে বদলে যাওয়া উপমহাদেশ

আলফাজ আনাম

মাত্র চার দিনের যুদ্ধ বদলে দিয়েছে উপমহাদেশের সামরিক ও কূটনৈতিক গতিপথ। ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে আকাশযুদ্ধে অভাবনীয় এক সাফল্য পেয়েছিল পাকিস্তান। এর পর থেকে বিশ্বজুড়ে পাকিস্তানের মর্যাদা যেমন বেড়েছে, তেমনি বিশ্বের দুই সুপার পাওয়ার যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্রে পরিণত হয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির হয়ে উঠেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রিয়পাত্র। অপরদিকে চীনের সঙ্গে আকাশ প্রতিরক্ষায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে পাকিস্তান। ইরান যুদ্ধে মধ্যস্থতার মধ্য দিয়ে প্রতিরক্ষা কূটনীতির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে ইসলামাবাদ, যার সূচনা হয়েছিল গত বছরের মে মাসের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে।

অপরদিকে ভারতের জন্য এই যুদ্ধ একটি দগদগে ক্ষত হয়ে আছে। দেশের মানুষকে খুশি রাখার জন্য ভারতের নেতারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে উগ্র জাতীয়তাবাদী বক্তব্য রাখলেও নয়াদিল্লি জানে এই যুদ্ধের পর কতটা সামরিক ও কূটনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। পাকিস্তান এবার এই সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের প্রথম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করেছে সামরিক বিজয় হিসেবে। অঙ্গীকার করা হয়েছে, ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনকে ‘আরো বেশি শক্তি, নির্ভুলতা এবং দৃঢ়সংকল্পের’ সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে।

এর সম্পূর্ণ বিপরীতে নয়াদিল্লি দিনটিকে পালন করছে সন্ত্রাসবাদের প্রতি ‘শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স)’ জোরদার করার দিন হিসেবে; ভারতশাসিত কাশ্মীরের পেহেলগাম অঞ্চলে সশস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পদক্ষেপের প্রশংসা করে। নয়াদিল্লি পাকিস্তানকে ওই হামলার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য অভিযুক্ত করেছিল। এই হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এই হামলা কেন্দ্র করে হয়েছিল চার দিনের যুদ্ধ। তবে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতার দাবির কোনো প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে ভারত সরকার।

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার শত্রুতার মূলে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। এর কেন্দ্রে রয়েছে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বিভক্ত হিমালয় অঞ্চলের কাশ্মীর, যেখানে ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী গণভোটের আহ্বান জানানো হয়েছিল। পাকিস্তান ও ভারত উভয়ই এই বিতর্কিত অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ন্ত্রণ করে। উভয় দেশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বাকি অংশের দাবি করে থাকে। দুই দেশ ১৯৪৮, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুদ্ধ করেছিল। এর মধ্যে ১৯৯৯ সালে কাশ্মীরের কারগিল অঞ্চলে একটি সীমিত যুদ্ধ হয়েছিল। এর পর থেকে স্থিতাবস্থা বজায় ছিল; যদিও উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলে আসছে।

ভারতের কট্টরপন্থি হিন্দু জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিল করেন। মুসলিম অধ্যুষিত প্রদেশটিকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করেন। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা পরিবর্তন করা হয়। এই একতরফা পদক্ষেপ কেবল কাশ্মীরের জনগণকে দেওয়া নয়াদিল্লির সাংবিধানিক নিশ্চয়তাকেই অস্বীকার করেনি, বরং এটি জাতিসংঘের প্রস্তাব এবং পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ছিল লঙ্ঘন ।

কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনমন করে পাকিস্তান। সরাসরি বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পেহেলগামে হামলার পর মোদি সরকার ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করার মাধ্যমে আরো একটি সীমারেখা অতিক্রম করে। বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় হওয়া এই চুক্তিটি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ছয়টি নদীর পানি বণ্টন নিশ্চিত করেছিল। অতীতে সব যুদ্ধ ও সংঘাত সত্ত্বেও এই চুক্তিটি টিকে ছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি তার ‘রক্ত ও পানি একসঙ্গে বইতে পারে না’ বক্তব্যের মাধ্যমে খেলার নিয়ম বদলে দিয়েছেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাড়তে থাকা বিরোধের তালিকায় একটি নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত তিনটি নদী থেকে পানির প্রবাহ বজায় রাখা দেশটির অস্তিত্বের প্রশ্ন। পাকিস্তানি নেতারা বারবার বলেছেন, ভারতের পানি বন্ধ করে দেওয়াকে যুদ্ধের শামিল হিসেবে গণ্য করা হবে। সিন্ধু পানি চুক্তির বিষয়টি আরো বড় পরিসরে আরেকটি সংঘাত সৃষ্টি করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শুধু পাকিস্তান নয়, ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদী আছে—এমন সব দেশের জন্য পানি বন্ধ করার প্রচেষ্টা গভীর শঙ্কার বিষয়। বাংলাদেশের জন্যও ভারতের এমন সিদ্ধান্ত বিপজ্জনক; কারণ দুদেশের মধ্যে অভিন্ন নদী আছে ৫৪টি। এমনকি ভারতও একই ধরনের পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে পারে। ব্রহ্মপুত্রের উজানে পানি প্রত্যাহার করতে পারে চীন।

প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে মোদির এই চরম উত্তেজনাকর কৌশল তার বৃহত্তর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির অংশ, যার রূপ হলো অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে মুসলিমবিরোধী এবং বাইরের ক্ষেত্রে পাকিস্তান ও বাংলাদেশবিরোধী। রাজনীতিতে বিজয়ী হওয়ার জন্য হিন্দুত্বের এই কট্টরপন্থি অবস্থান থেকে পিছু হটা বা উত্তেজনা প্রশমনের সুযোগ মোদির নেই।

মোদির অধীনে পাকিস্তান-ভারত সংঘাতের ধরনও ব্যাপকভাবে বদলে গেছে। এখন এই বিরোধ আর কাশ্মীর বিভাজনকারী সীমানার ওপর নেই, যা এত দিন তথাকথিত নিয়ন্ত্রণরেখা নামে আন্তর্জাতিক সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে। এ ধরনের হামলা ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমিত পরিসরে ঘটেছিল; এরপর ২০২৫ সালের মে মাসের যুদ্ধের সময় ঘটে, যার পাল্টা জবাব দিয়েছিল পাকিস্তান। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর জবাবে পাকিস্তান যে পাল্টা অভিযান পরিচালনা করে, তার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুস’।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতের হামলাটি ছিল মূলত প্রতীকী। কিন্তু ২০২৫ সালের মে মাসের সংঘাত ছিল অনেক বেশি বড়। এ সময়ে ভারতীয় সামরিক বাহিনী তথাকথিত সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংসের নামে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বেসামরিক এলাকা লক্ষ্যবস্তু করে। এর প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান জবাব দেয়, যাতে ভারত ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে।

২০২৫ সালের এই যুদ্ধ ছিল পুরোপুরিভাবে একটি আকাশযুদ্ধ, যেখানে ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়। ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন না করে পাকিস্তান ব্যাপক সাফল্য পায়। চীন-পাকিস্তান যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ফ্রান্সের তৈরি একাধিক অত্যাধুনিক রাফাল যুদ্ধবিমান হারায় ভারত। এটি ছিল দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের বহুমুখী সামরিক অভিযান। যেকোনো পক্ষের সামান্য ভুল হিসাব একটি পারমাণবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত।

অত্যাধুনিক ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমানসহ ভারতের অর্ধ ডজনেরও বেশি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর মার্কিন হস্তক্ষেপে ভয়াবহ পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। ভারত যুদ্ধবিরতি বা বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় কোনো তৃতীয় পক্ষের সম্পৃক্ততার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি এবং পরিস্থিতি শান্ত করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা নিয়ে পাকিস্তানের স্বীকৃতি ভারতের দাবির অসারতা প্রমাণ করে। এই সংঘাত দুই পক্ষের সামরিক সক্ষমতা, কৌশলগত সীমাবদ্ধতা ও অর্থনৈতিক দুর্বলতাগুলো সামনে এনেছে।

পাকিস্তানের গভীরে হামলা চালানোর ইচ্ছার মাধ্যমে উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। অন্যদিকে পাকিস্তান কার্যকরভাবে চীনের সরবরাহ করা সমরাস্ত্র ব্যবহার করেছে। দৃষ্টিসীমার বাইরের যুদ্ধে পাকিস্তান এমন সব অস্ত্র ব্যবহার করে, যা ভারতীয় বিমান ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পাকিস্তানের এই পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা শুধু ভারতকে নয়, গোটা বিশ্বকে অবাক করেছে।

এই সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ চলাকালে পুরোটা সময় পারমাণবিক অস্ত্রের ছায়া ছিল। পাকিস্তান তাদের ‘নিউক্লিয়ার কমান্ড অথরিটি’র বৈঠক ডাকার মাধ্যমে পারমাণবিক হামলার সংকেত দিয়েছিল। তবে ইসলামাবাদ একই সঙ্গে সংযমের নীতিতে অটল ছিল। এ ছাড়া পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য বাইরের চাপও কাজ করেছিল।

সংক্ষিপ্ত এই সংঘাত থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ মানবিক ও অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। চার ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি জিডিপির দেশ ভারত যুদ্ধের ধাক্কা তুলনামূলক ভালোভাবে সামাল দিতে পারলেও বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া, বিনিয়োগকারীদের সরে যাওয়া এবং বিপুল সামরিক ব্যয়ের কারণে তাদের বড় অর্থনৈতিক মূল্য পরিশোধ করতে হবে। অন্যদিকে মুদ্রাস্ফীতি, নিম্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিশাল ঋণের বোঝায় জর্জরিত পাকিস্তানের ভঙ্গুর অর্থনীতির জন্য যুদ্ধ আরো বড় চ্যালেঞ্জ।

যেকোনো যুদ্ধে পাকিস্তান চাইবে স্বল্প সময়ের মধ্যে ভারতের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করতে; তীব্র কিন্তু সংক্ষিপ্ত সময়ের আক্রমণ। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ ঠেকাতে তাদের পারমাণবিক অস্ত্রকে প্রতিরক্ষামূলক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে। এই কৌশলের পরীক্ষা হয়েছে এই যুদ্ধে।

এই সংঘাত আবারও স্পষ্ট করেছে—জাতিসংঘের প্রস্তাবনা অনুযায়ী কাশ্মীর সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি অধরাই থেকে যাবে। ভারতে নতুন করে সামনে আনা সিন্ধু পানি চুক্তি ইস্যুটিও বৃহত্তর কাশ্মীর সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। সম্ভাব্য কোনো পানিযুদ্ধ পুরো অঞ্চলের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি বয়ে আনতে পারে। এই সর্বনাশ ঠেকানোর একমাত্র উপায় হলো বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তিটিতে পূর্ণাঙ্গভাবে ফিরে যাওয়া এবং তা যথাযথভাবে মেনে চলা।

ভবিষ্যতে স্বাভাবিক ও অর্থবহ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের জন্য নয়াদিল্লিকে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা ২০১৯ সালের ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। একটির পর একটি ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করার মাধ্যমে নয়াদিল্লি পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগের দরজা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

শুধু স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু হলেই দুদেশের মধ্যে আস্থা বাড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে লাইন অব কন্ট্রোলে যুদ্ধবিরতি মেনে চলা, সামরিক পর্যায়ে সংলাপ, বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি। ভারত সে পথে এগিয়ে যাবে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। মনে হচ্ছে ভারতের হিন্দুত্ববাদী একগুঁয়ে নীতি দুদেশের আপসের পথ কার্যত বন্ধ করেছে।

ভারতকে বাস্তবতা বুঝতে হবে—আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ওপর আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ঘাটতি রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে নয়াদিল্লি এখন অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। গত বছরের মে মাসের স্বল্প সময়ের যুদ্ধে ভারতের সামরিক সক্ষমতা, বিশেষ করে তাদের আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে ইরান যুদ্ধে ভারতের কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রমাণিত হয়েছে। ভারতের সঙ্গে ইসরাইল ও আরব আমিরাতের মতো ভঙ্গুর ও কৃত্রিম রাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে; কিন্তু এই যুদ্ধের পর চীন, পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলো ভারতের প্রকৃত সক্ষমতা বুঝতে পেরেছে, যা এ অঞ্চলের দেশগুলোর সম্পর্কের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

লেখক : সহযোগী সম্পাদক, আমার দেশ

alfaz@dailyamardesh.com

সমীকরণ বদলে দিয়েছে ইরান

জাকাত বনাম চাঁদাবাজি ‘বেটার’ রাজনীতির নতুন নৈতিকতা?

ইসরাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলার সময় এসেছে

ইসরাইলকে চ্যালেঞ্জ জানাবে সৌদি-তুরস্ক জোট

বাংলাদেশে ইসলামি আন্তঃব্যাংক বাজার চাই

সীমান্তে আরএসএস জঙ্গিদের উত্থান

হাওরে বোরো বিপর্যয়ে কৃষকের কান্না

মা দিবস: ভালোবাসা, ইতিহাস ও আত্মত্যাগের এক অনন্য প্রতীক

জবাবদিহি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা

কলকাতায় হিন্দুত্ববাদ