সম্প্রতি আমার দেশ পাঠকমেলার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠকমেলার সদস্যরা বেশ কয়েকটি সামাজিক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হন এবং নিজেদের দায়িত্ব ও পরিকল্পনা ভাগ করে নেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন পাঠকমেলা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. স্বাধীন খন্দকার, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুল হক রাহাত, সদস্য সচিব আল আমিন ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব সুরঞ্জিত চন্দ্র পাল ও রাকিবুল ইসলাম পলক, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ আলি রাজা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান আরাফাত, অর্থ সম্পাদক মিঠু চন্দ্র বর্মণ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাশরাফি মর্তুজা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক ইশরাক আতিক, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক এসএ মাসউদ, নারী ও শিশু-বিষয়ক সম্পাদক তামান্না বিনতে কালাম এবং কার্যকরী সদস্য সাকিব আল হাসান, আহমেদ ফজলে রাব্বি, তাজমিনা অক্তার যূথি ও সুমাইয়া সাম্মি।
পরিচিতির পর্ব শেষে সব সদস্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার (রাবি) চত্বরে বসে সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। শিক্ষার্থীদের সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। পরিবেশ রক্ষার্থে ক্যাম্পাসে গাছ লাগানোর পরিকল্পনাও গৃহীত হয়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুগ্ম সদস্য সচিব সুরঞ্জিত চন্দ্র পাল বলেন, ‘অন্তত নিজেদের দক্ষতা বাড়াতেও আমাদের নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে সবার জন্য উপযোগী কিছু করা সম্ভব হয়।’
যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুল হক রাহাত বলেন, ‘আমাদের নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে এবং সমাজের উন্নয়ন করতে অবশ্যই সচেতন হতে হবে, আর এই সচেতনতা আমাদের নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।’ বৈঠকের একপর্যায়ে আহ্বায়ক মো. স্বাধীন খন্দকার বলেন, ‘আমাদের সবসময় ঐক্যবদ্ধভাবে থাকতে হবে এবং ইতিবাচক উন্নয়নের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের কখনো মাথানত করা যাবে না।’
বৈঠকের শেষাংশে সদস্যরা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আরো আলোচনা করেন এবং পরিবেশ ও সমাজকেন্দ্রিক উন্নয়নে সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।