ফজরের নামাজ আদায়ের পর নির্বাচনি গণসংযোগ শুরু করেছেন বিভিন্ন আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। জুমার নামাজের বিরতির পর রাতভর চলবে এই কার্যক্রম। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত অন্য দলের প্রার্থীদের পক্ষেও গণসংযোগে অংশ নিচ্ছেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের প্রচারের খবর পাওয়া গেছে।
সূত্রমতে, উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর মসজিদে ফজরের নামাজের পর নির্বাচনি গণসংযোগ শুরু করেন ঢাকা-১৮ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম। পরে সকাল ১০টায় মিছিলে নেতৃত্ব দেন তিনি। আজমপুরে জুমার নামাজের পর তিনি সন্ধ্যা পর্যন্ত মিছিল-গণসংযোগ করবেন।
ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হাজি এনায়েত উল্লাহ নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল ৮টায় প্লাস্টিক অ্যান্ড রাবার মার্চেন্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বেলা ১১টায় কামরাঙ্গীরচর ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে গণসংযোগ করে নূরীয়া মাদ্রাসা মসজিদে জুমা আদায় করবেন। আসর নামাজের পর নিজামবাগ এলাকায় উঠান বৈঠক, বিকেলে গণসংযোগ, রাতে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
ঢাকা-১২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনের পক্ষে গণসংযোগ শুরু হয়েছে সকাল ৯টায় মধ্য পেয়ারাবাগ থেকে। পর্যায়ক্রমে তিনি ইস্কাটন মসজিদে জুমা আদায় শেষে মগবাজার চৌরাস্তায় নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন, নয়াটোলায় পথসভা ও গণসংযোগ, রাতে নয়াটোলায় উঠান বৈঠক করবেন তিনি।
ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াত প্রার্থী খালিদুজ্জামানের সঙ্গে শুক্রবার সকাল ৯টায় গুলশান-১ লেক ভিউ হোটেলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশন মিশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে বের হন।
এছাড়া ঢাকা-৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী কামাল হোসেন, ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী আব্দুল মান্নান, ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী জসিম উদ্দিন সরকারসহ অন্য প্রার্থীরা সকাল থেকেই নির্বাচনি প্রচার ও গণসংযোগ করছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে রোববার ঢাকা-৫, ৬ ও ৭ আসনের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখবেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এসব জনসভা সফলের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। শুক্রবার সকালে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ড. মান্নান।