হোম > রাজনীতি > এনসিপি

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায়, হাসনাতের প্রশ্ন

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন। এই জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?

বুধবার বিকেলে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন প্রশ্ন করেছেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার: ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন’।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি এই ধরনের চাপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার জায়গাটাও দুর্বল হয়ে যায়।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এটা কোনো ব্যক্তির বিষয় না, এটা একটা সিস্টেমের বিষয়। বিচারকদের কণ্ঠ যদি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ পুরো দেশকেই দিতে হবে। এই সিদ্ধান্তটা অন্তত পুনর্বিবেচনা করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগকে ভয় দেখিয়ে শক্তিশালী করা যায় না বরং দুর্বল করে ফেলা হয়।

কারামুক্ত এনসিপি নেতা তারেক রেজা

মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও মর্যাদার পক্ষে দাঁড়ানোই প্রকৃত দেশপ্রেম

ক্ষমতার অপব্যবহার কখনো স্থায়ী হয় না: হাসনাত আবদুল্লাহ

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে আসিফ মাহমুদের চ্যালেঞ্জ

এটাই এনসিপির মূল বসন্ত: হাসনাত আবদুল্লাহ

থানাকে দলীয় নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার নয়, নাগরিকদের আস্থার প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে

আন্দোলন দমনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও খারাপ হবে: সারজিস

রাজধানীতে এনসিপির বিক্ষোভ, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি

সরকারের ব্যর্থতায় খুন, ধর্ষণ ও নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে: আসিফ মাহমুদ

হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত-সারজিসের ফেসবুক পোস্ট