যেন এক অসম্ভবের পেছনে ছুটছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যেটা কার্যত কেউ করে দেখাতে পারেননি। তবুও সিআর সেভেন থেমে নেই। এক হাজার গোলের মাইলফলকে পা রাখা চাই-ই চাই পাঁচবারের এ ব্যালন ডি’অর জয়ীর। ফুটবলে পেলের এক হাজার গোলের কীর্তির কথা কম-বেশি সবাই জানেন এবং মানেন।
১৩৬৩ ম্যাচ খেলে পেয়েছেন ১২৭৯ গোলের দেখা। তবে ব্রাজিলিয়ান এই কিংবদন্তি প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে হাজার গোলের দেখা পাননি। প্রীতি ম্যাচের গোল নিয়ে এক হাজার গোল স্কোরিংয়ের দাবি করেন রোমারিও। ব্রাজিলিয়ান এই ফুটবল লিজেন্ড প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে কীর্তিটা গড়তে পারেননি।
অন্য কেউ পারুক বা না পারুক, পর্তুগিজ এই মহাতারকা নতুন মাইলস্টোনে পা রাখতে যেন আদা-জল খেয়েই নেমেছেন। তার আগে থামার কোনো ইচ্ছাই যেন নেই এই মেগাস্টারের। মাইলফলকটির খুব কাছেও চলে গেছেন রোনালদো। এখন পর্যন্ত ১৩০০ ম্যাচ খেলে গোল পেয়েছেন ৯৫৯টি। প্রতি ম্যাচে তার গোলগড় প্রায় ০.৭৪। এ যেন অকল্পনীয় এক রেকর্ড!
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল রেকর্ডের মালিক এখন রোনালদো। জাতীয় দলের জার্সিতে ২২৫ ম্যাচে গোল পেয়েছেন ১৪৩টি। বর্ণিল ক্লাব ক্যারিয়ারে তার বাকি গোলগুলো এসেছে স্পোর্টিং লিসবন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও সৌদি ক্লাব আল নাসরের জার্সিতে।
রোনালদোর পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু ২০০২ সালে। ২০২৬ সালে এসে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারটি পা দিয়েছে ২৫ বছরে। সব পঞ্জিকাবর্ষেই প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছেন এই সুপারস্টার। নিজের গোল স্কোরিংয়ের রজতজয়ন্তী উদযাপন করেছেন রোনালদো আল কাদিসিয়ার বিপক্ষেÑপেনাল্টি থেকে গোল করে। সোমবার রাতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আল হিলালের বিপক্ষে আরো একটি গোল করেন রোনালদো। তবে সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে ৩-১ গোলে হেরে গেছে রোনালদোর আল নাসর। নতুন বছরে তিন ম্যাচে তার গোল হলো দুটি।
এক বছরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন ২০১৩ সালে, ৬৯টি। আর সবচেয়ে কম গোল পেয়েছেন ২০০৩ সালে। ওই বছর রোনালদো গোল করেছিলেন মাত্র একটি। পরে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। ২০০৪ সাল থেকে আর কোনো বছরে দুই অঙ্কের নিচে গোল করেননি।