সিলেটের বিপক্ষে তৃতীয় দিন জয়ের কাছকাছি ছিল চট্টগ্রাম। শেষ দিন জয়ের জন্য তাদের দরকার ছিল ১০১ রান। সেই লক্ষ্য তাড়ায় এক পর্যায়ে চট্টগ্রামের দরকার ছিল ৪০ রান, হাতে ৭ উইকেট। সেখান থেকে অদ্ভুত এক ব্যাটিং ধস হয় চট্টগ্রামের। ২৩ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে সিলেট। তবে শেষ উইকেট জুটিতে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের জয়ের নায়ক সাদিকুর রহমান। ঠিক ১০০ রান করেন তিনি। এবারের লিগে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।
প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ।
প্রথম ইনিংসেই ময়মনসিংহকে অল্প রানে গুটিয়ে দিয়ে এগিয়ে ছিল খুলনা। তবে আল আমিনের সেঞ্চুরিতে বেশ ভালোই প্রতিরোধ গড়েছিল ময়মনসিংহ। তবে ১৪০ রান ডিফেন্ড করতে নেমে কিছুই করতে পারেনি তাদের বোলাররা। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ৮ উইকেটে জয় নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক দল।
শেষ দিন ১ উইকেট বাকি রেখে খেলতে নামে ময়মনসিংহ। তিন বলের মধ্যে শেষ হয়ে যায় তাদের ইনিংস। পরে রান তাড়ায় খুলনার পক্ষে ৮০ রানের ইনিংস খেলেন এনামুল হক।
এবারের লিগে পঞ্চম রাউন্ডে এসে প্রথম জয়ের দেখা পেল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর। বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে রাজশাহীকে তারা হারাল ৬ উইকেট।
ম্যাচের শেষ দিন সম্ভাবনা ছিল সম্ভাব্য সব ফলের। ৭৪ রানের মধ্যে রাজশাহীর বাকি ৭ উইকেট নিয়ে লক্ষ্য বড় হতে দেয়নি রংপুর। পরে ওয়ানডে ঘরানার ব্যাটিংয়ে সহজেই জিতে নেয় ম্যাচ।
১৬০ রানের লক্ষ্যে মিম মোসাদ্দেক ৬১ রান করেন। ৩০ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন রিশাদ হোসেন।
বৃষ্টিতে প্রথম দুই দিন খেলা না হওয়ায় ঢাকা-বরিশালের এই ম্যাচে ড্র অনেকটা নির্ধারিতই ছিল। অপেক্ষা ছিল শুধু শিবলির সেঞ্চুরির। তবে সেই শিবলি ৯৯ রানে ফিরেছেন আক্ষেপ নিয়ে।
শেষ দিন সেঞ্চুরি করতে না পারার আক্ষেপ ছুঁয়েছে বরিশালের আব্দুল্লাহকেও। সেঞ্চুরি থেকে ৬ রান দূরে থাকতে আউট হন তিনি।