হোম > খেলা > ফুটবল বিশ্বকাপ

ইয়ামালের গোল বাতিলের ভিএআরের সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল?

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিশ্বকাপে নিজের চেনা রূপে যেন ফিরতে পারছিলেন না স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল। তবে সেমিফাইনালের মঞ্চে ফ্রান্সের বিপক্ষে যেন স্বরূপে ফিরলেন এই তরুণ তুর্কি। ফরাসি রক্ষণকে কাঁদিয়ে স্পেনের ফাইনালে ওঠার মিশনে রাখলেন অসামান্য অবদান। নজরকাড়া পারফরম্যান্সের ম্যাচে জালের দেখাও পেয়েছিলেন এই ওয়ান্ডার বয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় গোলটি। ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে নানামুখী প্রশ্ন উঠলেও ফিফার নিয়মানুযায়ী রেফারির সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ সঠিক ছিল।
ম্যাচের ৬১ মিনিটে রক্ষণভাগ থেকে তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সি বল বাড়িয়েছিলেন ইয়ামালের উদ্দেশ্যে। গতি বাড়িয়ে ফ্রান্সের ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। গ্যালারির হাজারো দর্শকের স্তব্ধতার মাঝে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়ান এই ফরোয়ার্ড। স্প্যানিশ সমর্থকদের উল্লাসের মাঝেই রেফারি ভিএআর পর্যালোচনার সংকেত দেন। স্টেডিয়ামের বড় স্ক্রিনের রিপ্লেতে দেখা যায়, বল পাস দেওয়ার মুহূর্তে ইয়ামাল সামান্য অফসাইড পজিশনে ছিলেন। ফলে উল্লাস রূপ নেয় ফরাসি শিবিরের স্বস্তিতে আর ইয়ামালের হতাশায়।
ইয়ামালের এই গোল বাতিল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফুটবল মহলে আলোচনা শুরু হয়। কারণ, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছিল ফরাসি ডিফেন্ডারের হাত ইয়ামালের চেয়ে গোললাইনের বেশি কাছে ছিল। তবে ফুটবল নিয়ম প্রণয়নকারী সংস্থা আইএফএবি-এর নিয়ম বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে-
হাত ও বাহুর নিয়ম-অফসাইড পজিশন নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো খেলোয়াড়ের হাত ও বাহুকে বিবেচনায় নেওয়া হয় না। যেহেতু হাত দিয়ে ফুটবল খেলা অবৈধ, তাই ডিফেন্ডারের হাত গোললাইনের কাছে থাকলেও তা অফসাইড লাইন হিসেবে গণ্য হবে না।
শরীরের বৈধ অংশ-হাত ও বাহু বাদে মাথা, পা এবং ধড়সহ শরীরের যে অংশগুলো দিয়ে বৈধভাবে গোল করা সম্ভব, অফসাইড লাইন সেখান থেকেই টানা হয়।
কাঁধের অবস্থান-এ ঘটনার ক্ষেত্রে ফরাসি ডিফেন্ডারের শরীরের শেষ বৈধ অংশটি ছিল তার কাঁধ। ফলে অফসাইড লাইনটি ডিফেন্ডারের কাঁধ বরাবর টানা হয়েছিল। আর সেই লাইনের সাপেক্ষে লামিন ইয়ামাল সামান্য এগিয়েছিলেন।
সিদ্ধান্ত-যেহেতু ইয়ামাল অফসাইড অবস্থানে থেকে সরাসরি খেলায় অংশ নেন এবং গোল করেন, তাই রেফারি ও ভিএআরের যৌথ সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়মানুযায়ী শতভাগ সঠিক ছিল।
নিয়মের বেড়াজালে ইয়ামালের গোলটি বাতিল হলেও স্পেনের জয়ের রথ থামাতে পারেনি ফ্রান্স। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের দুর্দান্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন স্প্যানিশরা। আর এই জয়ের মাধ্যমেই দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বমঞ্চের ফাইনালে নিজেদের টিকিট নিশ্চিত করে স্পেনের এই সোনালি প্রজন্ম।

শুরুতেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড

ফ্রান্সের পুরো দলই ব্যর্থ : প্যাট্রিক ভিয়েরা

পরিসংখ্যানে স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচের সব রেকর্ড

ইয়ামালের বিতর্কিত ‘হ্যান্ডবল’ ও স্পেনের পেনাল্টি

ফাইনালে ফের সবকিছু উজাড় করে দেব : পোরো

‘২০১০ সালের সোনালি স্পিরিট ফিরিয়ে এনেছি’

সেমিতে অভিষেক সোনালি ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’র

বিশ্বের সেরা দলগুলোর বিপক্ষে এলএমটেনের রেকর্ড যেমন

মেসিকে আটকানো কঠিন হবে

মেসির গল্প ফুরানোর নয়