ইসরাইলের হামলায় শীর্ষ কমান্ডার নিহতের প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার করেছেন হিজবুল্লাহ মহাসচিব নাইম কাসেম। এই হত্যাকাণ্ডকে ‘ইচ্ছাকৃত অপরাধ’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। তিনি বলেন, লেবানন ইসরালের বাড়ির উঠোন নয়, অন্যরা লেবাননের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে-এটা মেনে নেয়া হবে না। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।
গত রোববার বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলের বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতা তাবতাবাই নিহত হন। এ বিষয়ে হিজবুল্লাহ মহাসচিবের এটাই প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া।
নিহত কমান্ডারের স্মরণে এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাসেম বলেন, ‘যা ঘটেছে তা স্পষ্ট আক্রমণ এবং ইচ্ছাকৃত অপরাধ। আমাদের প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার রয়েছে, আমরা নিজেরাই সময় নির্ধারণ করব।’
রোববার দক্ষিণ শহরতলিতে হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ২৫ জন আহত হযন। হামলায় তাবতাবাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি হিজবুল্লাহ নিশ্চিত করেছে।
কাসেম বলেন, লেবাননে কেউ কেউ ‘ইসরাইলের দাসত্ব’ করে, তবে তাদের সংখ্যা কম, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের আদেশ অনুসরণ করে সমস্যা তৈরি করে।’
তিনি জানান, তারা প্রতিরক্ষামূলক কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, কিন্তু চাপের মুখে নয় অথবা অন্য কোনো ব্যবস্থার অংশ হিসাবে আমাদের শক্তি পরিত্যাগ করতেও নয়।’
ইসরাইলের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি হিজবুল্লাহ এড়িয়ে যেতে চায় না বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, লেবানন ইসরালের বাড়ির উঠোন নয়। কাসেম বলেন, ‘অন্যরা আমাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে এটা আমার মেনে নেবো না। আমাদের সেনাবাহিনী ইসরাইলের অধীনস্থ থাকবে এটাও মেনে নেয়া হবে না।’
২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর তেলআবিব এবং বৈরুতের মধ্যে যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়। যুদ্ধবিরতির অধীনে, এই জানুয়ারিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবানন থেকে সরে আসার কথা ছিল। তবে তারা কেবল আংশিকভাবে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় এবং পাঁচটি সীমান্ত চৌকিতে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখে।
আরএ